রোববার বিকেল ৫টার দিকে বাইপাসের মহসিন মোড়লের মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবুল কালাম আজাদ তেলিগাতী মধ্যপাড়ার শেখ গহর আলীর ছেলে।
নিহতের স্বজনদের দাবি প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে মাছের ঘেরে ফেলে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
.png)
নিহত আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই আজিজুর জানান, রোববার সকাল ৯টায় কালাম বাসা থেকে বাইপাসের মাছের ঘেরের উদ্দেশে বের হন। দুপুরে বাসায় ভাত খেতে না আসায় বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজতে বের হন। বিকেল ৫টার দিকে তেলিগাতী বাইপাসের রাজাপুরের মহসিন মোড়লের মাছের ঘেরে তার পরনের লুঙ্গি এবং গামছা দেখতে পেয়ে ঘেরের মধ্যে খোঁজাখুঁজির শুরু করেন। পরে মাছের ঘেরের জঙ্গলের মধ্যে থেকে কালামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছোট ভাই আজিজুর ও মফিজ অভিযোগ করে বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে ভাইয়ের পাশের ঘের মালিকদের সঙ্গে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব চলছিল। প্রতিপক্ষের লোকজন ভাইকে ঘেরের মধ্যে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গলাকেটে হত্যা করতে পারে।
আড়ংঘাটা থানার এসআই লুৎফুল হায়দার জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তেলিগাতী বাইপাসের মাছের ঘের থেকে আবুল কালাম আজাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া নিহতের কপালে, হাতে ধারালো অস্ত্র গিয়ে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- পূর্বশত্রুতার জেরে দুষ্কৃতকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে মরদেহ মাছের ঘেরে ফেলে রেখে গেছে।