মৃত মাসুদ রানা ওই এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আব্দুল হালিমে ছেলে। সে রামগঞ্জ ভোকেশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরেই মানসিক রোগে ভুগছিলেন মাসুদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন তিনি। সন্ধ্যায় বাসার লোকজন মাসুদের রুমের ভেতর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন। পরে ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে মাসুদকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়।
.png)
চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমি পারিবারিক আর মানসিক চিন্তায় নিজের জীবন নিজেই দিতাছি কাউকে কেউ দোষারোপ করবেন না। আমার নাম রানা, বাসা রামগঞ্জ চিরামিলের সামনে, বাবার হালিমের হোটেল ও ভাঙারির ব্যবসা, আমার মৃত্যুতে যেন আমার বাবা না কাঁদে। মা ছোট ছেলেকে মানুষ করিও। আমার জন্য তোমাদের অনেক ক্ষতি হলো। সরি মা (I Love You-) মা। আল্লাহ হাফেজ। আমাকে সবাই মাফ করে দেবেন, আমার কাছে কিছু ব্যক্তি টাকা পাবে। আমার মৃত্যুর পরে টাকাগুলো সবাইকে দেবেন। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না।’
নীলফামারী সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম বলেন, গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।