সোমবার রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষে ‘ডেপুটি রেভিনিউ কালেক্টর’ শিমুল আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জেলার তাড়াশের বারুহাস ইউনিয়নের দিঘড়িয়া গ্রামের মুকুল হোসেনের ছেলে সবুজ হাসান ও বেলকুচির সড়াতৈল ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের জেলহাক আলীর ছেলে রাকিব হাসান।
.png)
মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে গত দুই দিনের ‘প্রক্সির’ ঘটনায় মোট নয়জন গ্রেফতার হলেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের সঙ্গে হাতের লেখার অমিল পাওয়ায় সোমবার রাতে আরো দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ২০তম গ্রেডের কর্মচারী (অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তা প্রহরী) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণামূলক ‘প্রক্সির’ সহায়তা নেয়ায় গত দুইদিনে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।