নিহত বর্ষা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের বিষু প্রামাণেকের মেয়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মীর্জা মাহফুজুর রহমান এবং তার বাবা শাহেদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
.png)
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মাস ৭ দিন আগে আতাইকুলা থানার মৌপাড়া গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে মীর্জা মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় বর্ষার। তিনি গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং টেবুনিয়া শামছুল হুদা ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। কলেজে ভর্তিজনিত কাজের জন্য তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
রোববার বর্ষার স্বামী মীর্জা মাহফুজুর রহমান শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। তারা রাতের খাওয়া শেষে এক ঘরে ঘুমাতে যান। রাত ৪টার দিকে বর্ষা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে তার স্বামী বাড়ির সদস্যদের জানান। পরে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে দেখেন বর্ষার মরদেহ বিছানার ওপর পড়ে আছে।
নিহতের চাচাতো ভাই মাহফুজুর রহমান জানান, বর্ষাকে শ্বাসরোধে করে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তার ঘাড় ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
পাবনা সদর থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মীর্জা মাহফুজুর রহমান এবং তার বাবা শাহেদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপার্ট হাতে পেলে মত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।