এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, গত সপ্তাহে রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়ে দুই বছর বয়সী মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সন্দেহ করছে, অভিযুক্ত সোংসাক সোংসায়েং তার আগের সংসারের দুই শিশুপুত্রকেও হত্যা করেছেন।
সোংসাকের এক স্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি এর আগে আরো দুই শিশুপুত্রকে হত্যা করেছেন।
.png)
পুলিশ বলছে, ৪৬ বছর বয়সী সোংসাক দাবি করেছেন, তার মানসিক অসুস্থতার ইতিহাস রয়েছে। বাচ্চাদের কান্নার শব্দ সহ্য করতে না পারায় তিনি তাদের হত্যা করেছেন।
এ ছাড়াও সোংসাকের দুই বছরের মেয়ের মৃত্যুর জন্য তার স্ত্রীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। আর দুই ছেলের মৃত্যুর জন্য তার সাবেক স্ত্রীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনজনকেই এরইধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোংসাক মোট চারটি বিয়ে করেছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে ব্যাঙ্ককের ব্যাং খেন জেলায় পারিবারিক সহিংসতার একটি সম্ভাব্য ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে প্রথম সতর্ক করা হয়। সোংসাকের প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেছিলেন, ১২ ও চার বছর বয়সী তার দুই মেয়েকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। পরে ওই দুই শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় তাদের মা-বাবা বাড়িতে ছিলেন না।
১২ বছর বয়সী মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে, তাদের মা-বাবা তার দুই বছরের বোনকে মারধর করেছিলেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। গত সপ্তাহে উত্তর-পশ্চিম থাইল্যান্ডে একটি রান্নাঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা মরদেহটি শনাক্ত করতেও শিশুটি পুলিশকে সহায়তা করেছিল।
থাই পুলিশ সোংসাকের বিরুদ্ধে তার তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গের আরো দুই ছেলেকে হত্যার জন্য অভিযুক্ত করেছে। কারণ তার ডিএনএ দুটি শিশুর সঙ্গে মিলেছে, যাদের মরদেহ ১০ বছর আগে পাওয়া গিয়েছিল।
সোংসাকের তৃতীয় স্ত্রী বলেছেন, সোংসাক তাদের চার ছেলেশিশুকে হত্যা করেছেন। তিনি পুলিশকে দু’জনকে কবর দেওয়ার জায়গা সম্পর্কেও খোঁজ দিয়েছেন।
পুলিশ ধারণা করছে, অন্য দুজনকে হয়তো এমন একটি এলাকায় চাপা দেওয়া হয়েছে, যেখানে এখন একটি পেট্রল স্টেশন রয়েছে।