বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আসামি লিটন মিয়া টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার পরীগাছা গরম বাজার গ্রামের ছোয়াদ আলীর ছেলে।
.png)
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমদ জানান, দণ্ডিত আসামি লিটন মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে তার সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে ভিকটিমের মা বাড়ির বাইরে থাকায় দণ্ডিত আসামি ভিকটিমের বাড়িতে এসে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
পরে বিয়ের কথা বললে; ভিকটিমকে বিয়ে না করে হুমকি দেন। ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মধুপুর থানায় ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে মধুপুর থানার এসআই ছানোয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেয়া শিশুটির ভরণ পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে।
বাদী পক্ষের মামলা দায়ের থেকে শেষ পর্যন্ত এই মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে অ্যাডভোকেট জিনিয়া বখ্শ।