বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মিলন গাজী আশাশুনি উপজেলার বৈরামপুর গ্রামের কালাম গাজীর ছেলে। আসামি পলাতক রয়েছেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
মামলার বিবরণে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার এক কিশোরী স্থানীয় মক্তবে পড়াশোনা করতো। মক্তবে যাওয়া আসার পথে মিলন গাজী তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০১১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিলন গাজী ঐ কিশোরীকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বাড়ির পাশের একটি পুরাতন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে ঐ কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ২০১১ সালে ১৩ অক্টোবর সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণের অভিযোগে মিলন গাজীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। এদিকে, মামলা চলাকালীন সময়ে ভুক্তভোগীর ডিএনএ পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বুধবার সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম আসামি মিলন গাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।