সোমবার দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুরে আলম ভূঁইয়া এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নগরীর ঘাসিটুলা এলাকার শাকিল আহমদ, সাইয়ুম আহমদ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া গ্রামের জয় আহমদ দিপু।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জুবায়ের বখত জানান, সোহাগ হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়াও পেনাল কোডের আরেকটি ধারায় তাদের প্রত্যেককে ৭ বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার আরো দুই আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল রাতে দুর্বৃত্তরা সোহাগকে বাসা থেকে ডেকে নেন। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর ১৬ এপ্রিল তার মরদেহ এলজিইডি ভবনের পেছনের একটি খালে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
সোহাগ আহমদ বগুড়া সদর উপজেলার আলিয়া বাজার ঝোপগারি পূর্বপাড়া এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে এবং সিলেট নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার পাড়া ময়না মিয়ার কলোনিতে ভাড়া থাকতেন। নগরীর কাজির বাজারে মাছ বিক্রি করতেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা ফুলবানু বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ৬ আসামিকে অভিযুক্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন ভূঁইয়া। মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক এ রায় দেন।