রোববার বিকেলে হত্যা মামলার ১০ বছর পর এ আদেশ দেন নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১ এর বিচারক শামীমা পারভীন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিব, একই এলাকার ছেলাল ওরফে সালাউদ্দিন, রাসেল মিয়া, ছেলাম মিয়া এবং নরসিংদীর রায়পুরার মাহমুদাবাদ এলাকার জুয়েল মিয়া।
.png)
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম এ এন অলিউল্লাহ জানান, অটোচালক হারুন অর রশিদ উপজেলার বারৈচা বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন সড়কে যাত্রী পরিবহন করতেন। ২০১৩ সালের ২৮ জুন রাতে পাঁচজন যাত্রীসহ অটো নিয়ে বের হওয়ার পর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন ২৯ জুন সকালে বেলাব এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে চুনাইখালী সেতুর পাশের ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় নিহত হারুনের ছেলে আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বেলাব থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ যাত্রী সেজে চালক হত্যা ও অটো ছিনতাইয়ের রহস্য উদঘাটন করে।
মামলায় আদালতে ১৩ জনের দেওয়া সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে পাঁচজন আসামি দোষী প্রমাণিত হয়। আসামিরা চালক হারুনকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। আদালত প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন।
তিনি আরো জানান, রায় প্রদানের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব, ছেলাল ওরফে সালাউদ্দিন ও জুয়েল মিয়া। বাকি দুই আসামি এখনো পলাতক।