শনিবার বিকালে উপজেলার কোদালিয়া শহীদনগর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরো ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহত ওবায়দুর কারিকর উপজেলার ঈশ্বরদী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, চাচা সিরাজ কারিকর ও ভাতিজা ওবায়দুর কারিকরের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার বিকালে বাড়ির পাশে চাচা ভাতিজার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চাচা সিরাজ কারিকর রামদা নিয়ে ভাতিজা ওবায়দুরের মাথায় কোপ দেন। এতে ওবায়দুর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ওবায়দুরকে হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
ওবায়দুরের ভাই ফারুক কারিকর বলেন, গত ২৬ এপ্রিল আমার চাচাতো ভাই রবিউল কারিকরের ছেলে মস্তোফা কারিকরের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠান করি। এতে চাচা সুরাজ কারিকরকে দাওয়াত দেওয়ার পরও তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি। শনিবার বিকেলে ওবায়দুর আর চাচা কথা কাটাকাটি করছিলেন। এ সময় চাচা রামদা নিয়ে আমার ভাই ওবায়দুরের মাথায় কোপ দেন। এতে ভাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আমরা ভাইকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে চাচা সিরাজ, আরেক চাচা পাউচা কারিকরের ছেলে আওলাদ, জাহাঙ্গীরসহ আরো ১০ থেকে ১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালান। এতে নারীসহ আরো ১০ জন আহত হন। আহতদের নগরকান্দা ও মুকসুদপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নগরকান্দা থানার ওসি হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।