ঢাকা,  শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

হোটেলে রুটি-ভাজি খেয়ে হাসপাতালে ৫০ জন

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:০৬, ৮ জুন ২০২১
হোটেলে রুটি-ভাজি খেয়ে হাসপাতালে ৫০ জন
অসুস্থরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

জামালপুরের সরিষাবাড়িতে হোটেলের খাবার খেয়ে নারী-শিশুসহ অর্ধশতাধিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার দুপুর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পৌরসভার পঞ্চপীর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, সরিষাবাড়ি পৌরসভার পঞ্চপীর বাজার এলাকার লালু মিয়ার দোকানে সকালে নাস্তা করতে যান বেশকিছু মানুষ। দুপুরের পর থেকে তাদের পেট ব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। এরপর গুরুতর অবস্থায় একে একে সবাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হতে থাকেন। তবে এর মধ্যে বেশি রয়েছেন নারী-শিশু।

চিকিৎসাধীন রোগীরা হলেন- শাহাজাহান, স্বাধীন মিয়া, জাকির হোসেন, রাতুল, মার্জিয়া, তামিম, মিষ্টি, রিয়া মনি, সাব্বির হোসেন, সুমি, আব্দুল আজিজ, ফাতেমা বেগম, লাল ভানু, হোসনে আরা, ইয়নুস মিয়া, মনির উদ্দিন, জুবাইর, আলম মিয়া, বিদ্যুৎ, আব্দুল হক, মজনু মিয়া, লাল মিয়া, জামিনুর, রাকিব মিয়া, ফাহাদ, ফরিদ মিয়া, তারা মিয়া, আশরাফ ফারুকী সিয়াম, আজিজুল ও সিরাজ উদ্দিন।

পঞ্চপীর এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শিশু মিষ্টি ও তানিয়ার মা সুমি বেগম বলেন, আমার দুটি বাচ্চা তাদের দাদার সঙ্গে লালুর খাবার হোটেল সকালে নাস্তা করতে যায়। নাস্তা খেয়ে বাড়িতে ফিরলে পেট ব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয়। অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে বাচ্চা দুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। নিম্নমানের ও পচা-বাসি খাবারের কারণে এ অবস্থা দেখা দিয়েছে। সঠিকভাবে খাবারের দোকানগুলো দায়িত্ববান লোকেরা দেখাশোনা করলে এসব ঘটনা ঘটতো না।

এছাড়া বাউসি থেকে চিকিৎসা নিতে আসা মজনু মিয়া, সিরাজ উদ্দিন, জামিনুর বলেন, লালুর দোকানে নিম্নমানের খাবার ছিল। রুটি ও ডাল খেয়ে বমি শুরু হলে হাসপাতালে আসি।

হোটেল মালিক লালু মিয়া বলেন, অনেক বছর ধরে হোটেল ব্যবসা করি। এমন ঘটনা কখনো হয়নি। ময়দা ও তেল বাউসি বাজারের মুদি দোকানি বাসেদের কাছ থেকে কিনে এনেছি। সমস্যা হলে তার দোকানের পণ্যতে হতে পারে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম বলেন, দুপুরের পর থেকেই পেট ব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে আসতে থাকেন। তাদের সবাইকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া গুরুতর অসুস্থদের জামালপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। খাবার নিম্নমানের বলে ফুড পয়জনিংয়ের কারণে কারণে এটি হতে পারে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!