ঢাকা,  বুধবার   ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

[ করোনাভাইরাস ]

করোনা আক্রান্ত শিশুদের শরীরে দেখা দিচ্ছে বিরল রোগ ‘কাওয়াসাকি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:০৯, ২২ জুলাই ২০২০
করোনা আক্রান্ত শিশুদের শরীরে দেখা দিচ্ছে বিরল রোগ ‘কাওয়াসাকি’
কাওয়াসাকি রোগের উপসর্গ। ছবি: সংগৃহীত।

ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৬৭৪ জন সংক্রমিত হয়েছে। তবে দেশটির মুম্বাইয়ে করোনা আক্রান্ত শিশুদের শরীরে মিলেছে কাওয়াসাকি নামের বিরল রোগ। করোনা আক্রান্ত ১৮ শতাংশ শিশুই ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ও ক্যান্সার থাকা অবস্থায় কাওয়াসাকিতে দুইজনের মৃত্যুও হয়েছে।

কাওয়াসাকি ডিজিজ (রোগ) এর প্রথম সন্ধান পান জাপানি পেডিয়াট্রিসিয়ান তমিস্কু কাওয়াসাকি। তার নামেই ওই রোগের নামকরণ করা হয়। ওই রোগে করোনা আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কম বলা হয়েছিল। এখন দুই শিশুর মৃত্যু চিকিৎসকদের উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

শিশুদের বিভিন্ন অঙ্গে প্রদাহসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, যা করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্টি বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর সে রকম একটি প্রদাহ হলো কাওয়াসাকি ডিজিজ। এ রোগে আক্রান্তদের শরীরে নানা উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- সাধারণত প্রবল জ্বর, প্রদাহ, ত্বকে র‌্যাশ, চোখে লাল ভাব, মাথা ধরা, ডায়রিয়া। এমনকি আক্রান্ত শিশুর হঠাৎ হৃদস্পন্দনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

গত মে মাসে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়, নিউইয়র্কে করোনা আক্রান্ত অনেক শিশুদের মধ্যেই এ ধরনের প্রদাহ দেখা গেছে।

ওয়াদিয়া শিশু হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডাক্তার শকুন্তলা প্রভু বলেন, কাওয়াসাকি রোগে আক্রান্ত দুই শিশু মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন করোনা ও অন্য়জন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিল। দুই জনকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তাদের ভেন্টিলেশনে দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মারা যায়। এরইমধ্যে চারজন সুস্থ হয়ে উঠছে।

এসআরসিসি শিশু হাসপাতালের পেডিয়াট্রিসিয়ান ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার সোসাইটির সেক্রেটারি ডাক্তার অমিশ ভোরা বলেন, কাওয়াসাকি রোগে আক্রান্ত শিশুদের মাঝে দুই থেকে তিন দিন জ্বর থাকে। সেই সঙ্গে পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া হয়। ১০০ শতাংশ রোগীরই জ্বর থাকে। ৮০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় বমি ও ডায়রিয়া। এ রোগে আক্রান্ত ৬০ শতাংশ শিশুর ক্ষেত্রে চোখে লাল ভাব দেখা যায়।

এছাড়া বাকিদের শরীরে দেখা যায় র‌্যাশ। তাই এই দিকে বাবা-মায়েদের খেয়াল রাখা উচিত। এ রকমের উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। আমরা প্রায় প্রতিদিনই এ রোগে আক্রান্ত শিশুর খবর পাচ্ছি। ওয়াদিয়া হাসপাতালে তাদের ভর্তিও করা হচ্ছে।

সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা কাওয়াসাকি রোগে আক্রান্ত হয়। তবে ভারতে ১০ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সীদের মধ্যে এ রোগ দেখা যাচ্ছে। এ নিয়ে চিকিৎসক মহল উদ্বেগে পড়েছেন। এরইমধ্যে অনেক চিকিৎসক গবেষণা শুরু করেছেন। তাদের যাবতীয় তথ্য ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআরকে দিয়েছেন তারা।

সূত্র-  এনডিটিভি

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ/মাহাদী
eMythMakers
Transform Your Digital Presence
Enterprise-grade IT & Web Solutions
Our Expertise
Custom Web Dev News Portals Mobile Apps SEO & Marketing
Ready to Scale Up?
Partner with industry experts today.
Get Started Now
eMythMakers
Transform Your Digital Presence
Enterprise-grade IT & Web Solutions
Our Expertise
Custom Web Dev News Portals Mobile Apps SEO & Marketing
Ready to Scale Up?
Partner with industry experts today.
Get Started Now
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!