নেক্সাসের মাধ্যমে জাপানের স্টুডেন্ট ভিসা পেলেন ৫০০ শিক্ষার্থী
উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ হিসেবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিনিয়ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জাপান। এই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের বিভিন্ন সেমিস্টারে নেক্সাস গ্রুপের মাধ্যমে প্রায় ৫০০জন শিক্ষার্থী জাপানের স্টুডেন্ট ভিসা অর্জন করেছেন।
এই সাফল্য উদযাপন, সফল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিসাসহ পাসপোর্ট হস্তান্তর এবং জাপানে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে সম্প্রতি নেক্সাস গ্রুপ (NEXUS-NPI Education and Training Institute) আয়োজন করে ‘জাপানে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গঠনের স্বপ্ন পূরণের মিলনমেলা’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।
.png)
অনুষ্ঠানে জাপান থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তব্য দেন নেক্সাস গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মাহমুদুর রহমান। বক্তব্যে তিনি জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও সুযোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল সেমিস্টারে ২৫০ জন, জুলাই সেমিস্টারে ৯৬ জন এবং সেপ্টেম্বর সেমিস্টারে ১৪২ জন—সব মিলিয়ে মোট ৪৮৮ জন শিক্ষার্থী নেক্সাস গ্রুপের মাধ্যমে জাপানের স্টুডেন্ট ভিসা পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইড ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির চিফ অপারেশনাল অফিসার ইউয়া নাগা কিকুও সান। বক্তব্যে তিনি বলেন, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী জাপানে যাচ্ছে। সে তুলনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এখনো তুলনামূলকভাবে কম। ফলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান এবং নেক্সাস-এনপিআই-এর সম্মানিত ডিরেক্টর প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান এবং ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নেক্সাস গ্রুপের ডিরেক্টর মাহমুদা রহমান, নেক্সাস-এনপিআই-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিয়াউল ইসলাম, সিইও মাসুদুল হাসান জায়েদীসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানযাত্রাকে সহজ, সুশৃঙ্খল ও সফল করতে নেক্সাস গ্রুপ দীর্ঘ এক দশক ধরে কাজ করে আসছে। এইচএসসি ও ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি সাত মাসব্যাপী একটি বিনামূল্যের প্রস্তুতিমূলক কোর্স পরিচালনা করে। কোর্সটিতে N5 ও N4 লেভেলের জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এম্বাসি ইন্টারভিউ প্রস্তুতি, পার্ট-টাইম চাকরির ইন্টারভিউ প্রস্তুতি এবং সিভি রাইটিং সেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া ফাইল ওপেনিং চার্জ ছাড়াই ভিসা প্রসেসিং, ব্যাংকিং সহায়তা এবং জাপানে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে অভ্যর্থনা, আবাসনের ব্যবস্থা ও পার্ট-টাইম কাজের ক্ষেত্রে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
বক্তব্য পর্ব শেষে সফল শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসাসহ পাসপোর্ট তুলে দেওয়া হয়। পরে বুফে লাঞ্চের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজনটির সমাপ্তি ঘটে।