ঢাকা,  শনিবার   ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

ফুটপাত দখল করলে ফের উচ্ছেদ: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫৩, ৩ অক্টোবর ২০২৬
ফুটপাত দখল করলে ফের উচ্ছেদ: ডিএনসিসি প্রশাসক
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে দখল হয়ে থাকা ফুটপাত পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

Advertisement

ডিএনসিসিকে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য সিটি করপোরেশন হিসেবে গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখল করে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কিছু ব্যবসায়ী ও হকার ফুটপাতে চকি, মাচা ও বিভিন্ন স্থাপনা বসিয়ে পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির সবচেয়ে বেশি দখল হওয়া ফুটপাতগুলোর একটি মিরপুর ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত এলাকা দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।

দখলমুক্ত করা ফুটপাত যাতে আবার দখল না হয়, সে জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে বলেও জানান শফিকুল ইসলাম খান। স্থানীয় জনগণ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের যৌথ উদ্যোগে গঠিত এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি মাইকিংয়ের মাধ্যমে ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো কিছু ফুটপাত দখল হয়ে আছে। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে এবং কিছু জায়গা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি এলাকাগুলোও দখলমুক্ত করা হবে।

ফুটপাত দখল নিয়ে রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি করপোরেশনই নিচ্ছে। নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী উল্লেখ করে তিনি বলেন, সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজের উদ্যোগেও ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করা হচ্ছে।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার আগে কাউকে জানানো প্রয়োজন আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করলে বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!