এ সময় তিনি স্ত্রীকে আগুন লাগার ঘটনা ফোনে জানান। তারপর থেকেই তার ফোন বন্ধ দেখাচ্ছে। রাজীবের কোনো খোঁজ না পেয়ে তার স্ত্রী এবং মা বঙ্গবাজার মার্কেটে এসে খুঁজতে শুরু করেন।
রাজীবের স্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, আমার স্বামীর নাম রাজীব দেওয়ান। বঙ্গবাজার মার্কেটেই তার দোকান। সকাল সাড়ে ৭টায় কথা হয়েছে আমার সঙ্গে। মোবাইলে দিয়ে আমাকে জানায় মার্কেটে আগুন লাগার কথা। বাসার সবাইকে জানাতেও বলে সে।
.png)
সে কোথায় আছে জিজ্ঞেস করলে জানায়, আমি বাবুবাজার ব্রিজের নিচে আছি, সেখান থেকেই জানতে পারলাম, সব শেষ। আমি সেখানে যেতে না করায় বলে, না আমি যাই, দেখি। তারপর থেকেই ফোনে তাকে আর পাচ্ছি না। ফোন বন্ধ দেখাচ্ছে।
রাজীবের মা আহাজারি করে বলেন, আমার ছেলেকে তো পাচ্ছি না। তার নিজের দোকান রয়েছে। আমাদের বাসা বিক্রমপুরে, সেখান থেকেই সকালে সে এখানে আসে। বঙ্গবাজারের নিচ তলায় আদর্শ মার্কেটের এক নম্বর গলিতে দেওয়ান গার্মেন্টস নামে তার দোকান ছিল।