ঢাকা,  শনিবার   ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ ক্যাম্পাস ]

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য: অর্থ উপদেষ্টা

ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:০৫, ৩ অক্টোবর ২০২৬
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য: অর্থ উপদেষ্টা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমি কোলাবোরেশন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এ লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে প্রশাসনের আয়োজনে ‘ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমি কোলাবোরেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Advertisement

অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অর্থনীতিকে নতুন ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে শুধু প্রবৃদ্ধির হার বাড়ালেই হবে না। উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের ম্যান্ডেটকে ভিত্তি করে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে সরকার ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ বা ৩আর কৌশল অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি।

অধ্যাপক তিতুমীর বলেন, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে কর্মসংস্থান গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ও শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব কমাতে নতুন উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু ডিগ্রি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখলে চলবে না। এগুলোকে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, আনোয়ার গ্রুপ, আবুল খায়ের গ্রুপ, গ্রামীণফোন, বিকাশ, বিআরবি কুষ্টিয়া, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ব্র্যাক, রাজবাড়ী জুট মিলস লিমিটেড, বেনকিউ ইন্ডাস্ট্রি, টেকনোডেরা ইন্ডাস্ট্রি, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, মেটাডোর ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড ও এনসিঙ্গা ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিরা ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ইবি/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!