বাজারে বিশেষ অভিযানে ডিএসসিসি
ভোক্তা পর্যায়ে ডিমের দাম সহনীয় রাখা, অসাধু মুনাফাখোরি রোধ এবং বাজার শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন বিভিন্ন কাঁচাবাজারে একযোগে জোরালো মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) কর্পোরেশনের আওতাধীন ফকিরাপুল বাজার, কাপ্তান বাজার, বাসাবো বউ বাজার, নবাবগঞ্জ বাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় এই সমন্বিত তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে বাসাবো বউ বাজারে আইন অমান্য করা ও অবৈধভাবে ফুটপাত দখলের দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ২ টি মামলা দায়ের করে মোট ১৫,০০০ (পনেরো হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
.png)
অভিযানের বিস্তারিত চিত্র
• বাসাবো বউ বাজার (ওয়ার্ড-৪, অঞ্চল-২): অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু আসলামের নেতৃত্বে বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে ব্যবসায়ীদের ডিমের বিক্রয়মূল্য, পাইকারি ক্রয় রশিদ এবং মুনাফার পরিমাণ নিখুঁতভাবে যাচাই করা হয় এবং অতিরিক্ত মূল্য না নেওয়ার বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি চলাচলের পথ সুগম করতে ফুটপাত দখল করে রাখা মালামাল অপসারণ করা হয় এবং আইন ভঙ্গের দায়ে দুই মামলায় ১৫,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
• ফকিরাপুল বাজার ও কাপ্তান বাজার: ফকিরাপুল বাজারে ডিমের বাজার তদারকি করেন ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব হাসিবা খান। অপরদিকে কাপ্তান বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আমিনুল ইসলাম। তারা উভয়ই বাজারে ডিমের সরবরাহ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং কোনো অবস্থাতেই যেন কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দাম না নেওয়া হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন।
• নবাবগঞ্জ বাজার (ওয়ার্ড-২৩, অঞ্চল-৩) ও অঞ্চল-৫ (ওয়ার্ড-৭): অঞ্চল-৩ এর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের নবাবগঞ্জ বাজারে ডিমের মূল্য মনিটরিংয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আক্তার উননেছা শিউলী। এছাড়া অঞ্চল-৫ এর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন কাঁচাবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জয়নাল মোল্লা।
জনস্বার্থ রক্ষা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এ ধরণের কঠোর মনিটরিং ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।