জাবির রফিক-জব্বার হলে নবীনবরণ ও বার্ষিক ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ রফিক-জব্বার হল সংসদের উদ্যোগে ৫৫ তম আবর্তনের নবীন বরণ, প্রীতিভোজ ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৭ টায় হলের কমনরুমে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও হলের প্রভোস্ট ড আবদুস ছাত্তার, কোষাধ্যক্ষ মাহাবুব ভুঁইয়া ও সম্মানিত আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু,জিএস মাজহারুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহিরুদ্দিন বাবর, হল সংসদের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন হলের ভিপি, জিএস এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
.png)
সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, আন্তরিকতা ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি হয়ে উঠেছিল অত্যন্ত সুন্দর, আনন্দময় ও স্মরণীয়। নবীন শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং পুরষ্কার প্রদান দুটিই ছিল অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ।
শহীদ রফিক-জব্বার হল সংসদের সভাপতি ও প্রভোস্ট ড আবদুস ছাত্তার বলেন, হল ছাত্র সংসদ ও হল কর্তৃপক্ষের আয়োজিত আজকের নবীনবরণ, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, জাকসুর নেতৃবৃন্দ ও প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ সকলকে হলের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। প্রথমেই ৫৫তম আবর্তনের যারা হলে এসেছো, তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। তোমরা যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছো, সেই স্বপ্ন ও প্রত্যাশা থেকে বিচ্যুত হবে না এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে এ প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছি।
হল সংসদের জিএস শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘৫৫ ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। তাদের সুন্দর, সফল ও আনন্দময় বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কামনা করছি। তাদের আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হল সংসদ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি গণরুম সংস্কৃতি থেকে হলকে মুক্ত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য কমনরুমে বসার ব্যবস্থা, গেস্টরুমের অবকাঠামোগত ও ফার্নিচারের সমস্যা সমাধান, ওয়াশরুম, মসজিদ ও রিডিংরুম সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। হলের আরও কিছু উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে, যা দ্রুত শুরু ও সম্পন্ন করা হবে।’
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করা হয়। পরে নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।