Alexa মানুষকে বশে আনুন মনোবিজ্ঞানের এই ট্রিক্সে

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২২ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ৬ ১৪২৬,   ২২ সফর ১৪৪১

Akash

মানুষকে বশে আনুন মনোবিজ্ঞানের এই ট্রিক্সে

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৯ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

হিপনোটাইজ সম্পর্কে কম বেশি সবারই জানা আছে। হিপনোটাইজের মাধ্যমে একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই উপায়ে একজন ব্যক্তিকে অন্য একজন ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

তাছাড়াও এমন কিছু ট্রিক সম্পর্কে জানুন, যা দিয়ে আপনি যেকোনো মানুষের ব্রেইনকে হ্যাক করতে পারবেন। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক, যেকোনো মানুষকে নিজের বশে আনার মনোবিজ্ঞানের এই ট্রিক্সগুলো-

১. কেউ যদি আপনার পিছু করে। আপনি যখনই তার দিকে তাকান সে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকে। এমনটা অনেক সময় মনের ভুলও হতে পারে। তাহলে আপনি কিভাবে বুঝবেন কেউ আপনার উপর নজর রাখছে কিনা? এক্ষেত্রে আপনাকে শুধু লম্বা করে হাই তুলতে হবে। আর আশে পাশে দেখবেন যদি অন্য কেউ হাই তোলে তাহলে বুঝতে হবে তার নজর আপনার উপরে ছিল।

আমাদের মস্তিষ্কে যখন অক্সিজেনের অভাব দেখা যায় তখন আমরা হাই তুলি। আমরা যখন ক্লান্ত হয়ে যাই বা বোর হই তখন আমাদের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় আর তখনই আমরা হাই তুলি। আপনি কি জানেন, হাই ট্রান্সফার হয়ে যায়। মানে আপনার কাছ থেকে অন্য কারো কাছে যেতে পারে। কেউ যদি আপনার উপর নজর রাখে তাহলে ৫০% সম্ভাবনা আছে আপনি হাই তুললে সেও তুলবে।  কি ট্রিকটি অনেক মজার না।

২. যদি অনেক ভিড়ের ভেতর বের হতে সমস্যা হয়। তাহলে আমাদের এই ট্রিকটি  আপনাকে অনেক আরাম দেবে, যা আপনি চিন্তাও করতে পারবেন। আপনি যদি কোনো ভিড়ের ভেতর আটকে যান যেখানে আপনার সামনে যেতে খুব সমস্যা হচ্ছে। তাহলে আপনার কাজ শুধু একটাই সামনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন যেখানে আপনি যেতে চান। তখন আপনার রাস্তা একা একাই আপনার জন্য ফাঁকা হয়ে যাবে।

কারণ ভিড়ের ভেতর আমরা একজন আরেকজনের চোখের দিকে তাকাই এটাই স্বাভাবিক। এতে আমাদের ব্রেন সাবকনসাস্লি বুঝে যায় ওই ব্যক্তি কোন দিকে যেতে চায়। আর আপনি যদি এই ট্রিকটি করেন তাহলে ভিড়ের ভেতর থাকা লোকজনের কনসাস্ মাইন্ড এটা বুঝে যাবে আপনি কোন দিকে যেতে চান। আর তখন সে আপনাকে সাইট দিয়ে দেবে।

তবে এই ট্রিকটি করার সময় আপনাকে কিছু জিনিস মনে রাখতে হবে। যেমন আপনি যখন চশমা পড়ে থাকবেন তখন এই ট্রিকটি কাজ করবে না। আর এই ট্রিকটি ওইসব লোকজনের উপর কাজ করবে না যারা আপনাকে দেখতে পারবে না।

৩. আপনি কখনো রাস্তায় দুজন মানুষকে মারামারি করতে দেখে তাদেরকে ছাড়াতে গিয়েছে? প্রায়শই দেখা যায় অনেক মানুষ জড়ো হয়ে ঝগড়া বা মারামারি দেখছে। তারা এই জন্য এমনটা করে যে তখন তারা টেনশনে পড়ে যায় পরিস্থিতি কিভাবে সামলাবে। আর এই টেনশন সিচুয়েশন এর উত্তর হল খাবার।

জি হ্যাঁ খাবার দিয়ে। খাবার  মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে। আর এটার সাইন্টিফিক ব্যাখ্যাও রয়েছে যে টেনশনের সময় খাবার খেলে টেনশন দূর হয়ে যায়। অনেককেই চিন্তিত থাকলে অনেক বেশি খাবার খায়। এতে করে অনেক রিলাক্স হওয়া যায়। তাহলে সামনে থেকে আপনি যদি কাউকে মারামারি করতে দেখেন তাহলে অবশ্যই খাবার খেয়ে তাদের মারামারি থামাতে যাবেন। পারলে তাদেরও কিছু খাইয়ে দেবেন।

৪. একটু আগে আমরা তো জানলাম টেনশন কমানোর পদ্ধতি। কিন্তু যদি এমন হয় আপনার উপর কেউ রেগে গেছে তাহলে কি করবেন? কেউ আপনার উপর রাগ করলে, আপনি শুধু তার পাশে গিয়ে বসবেন। আপনি যদি তার পাশে বসেন যে আপনার উপর রাগ হয়েছে। এতে ওই ব্যক্তির আপনার উপর রাগ করা আজব লাগবে। কারণ আপনার উপর রাগ দেখাতে হলে তাকে তার শরীরের সম্পূর্ণ অংশ ঘোরাতে হবে। এই ট্রিকের সবচেয়ে মজার জিনিস হলো এটাই, আপনি কোনো কথা না বলেই সবকিছু সামলে নিতে পারবেন। এই ট্রিক ওই ব্যক্তির উপর কাজ করে যে আপনাকে নিয়ে খারাপ কথা বলে।  আপনি যদি পরবর্তীতে তার পাশে গিয়ে বসেন তখন সে লজ্জিত বোধ করবে।

৫. অনেক সময় এমন হয় আমরা কারো কাছে কিছু চাইলে সে মানা করে দেয়। এমনটা হয়তো আপনার সঙ্গে অনেকবার হয়েছে। তবে এই ট্রিকটি সাইন্স থেকে এসেছে যে, কারো কাছে যদি কিছু চাইতে হয় তাহলে অনেক বড় কিছু চান। যেটা সে দিতে পারবে না আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট কিছু চেয়ে বসেন। যা সে দিতে পারবে, তখন সে সেটা মানা করতে পারবে না। এই ট্রিকটি আসলেই অনেক মজার।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ