এই সময় লিফট ও সিঁড়ি ব্যবহারে যে বিষয়গুলো না মানলেই বিপদ!
করোনা সংক্রমণ এড়াতে সব বিষয়েই সচেতন থাকতে হবে। রাস্তায় হাঁটতে গেলেও যেমন চারদিকে নজর রাখতে হবে ঠিক একইভাবে লিফট কিংবা বাড়ির সিঁড়ি ব্যবহারেও নজর রাখতে হবে।
এই সময় বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে অবশ্যই মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখবেন। যদি কেউ গ্লাভস ব্যবহার করেন তবু হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
বর্তমানে সবাই কমবেশি লিফট ব্যবহার করে থাকেন। হয়ত এই সময়ে অনেকেই নিজ বিল্ডিংয়ের লিফট ব্যবহার করাও এড়িয়ে চলছেন। তবে যারা আট বা দশ তলার উপরে বসবাস করেন, তাদের জন্য সিঁড়ি বেয়ে ওঠা বেশ ঝক্কির।
তাদের লিফট ব্যবহার ছাড়া গতি নেই। এজন্য এই করোনাকালে লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিফটের বোতাম থেকেও করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে তাই সাবধান হোন আপনারাও।
যদি কোনো সংক্রামিত ব্যক্তি তার আঙুল দিয়ে লিফটের বোতামে চাপ দেয় তবে করোনার জীবাণু তাতে লেগে যায়। অতঃপর কোনো সুস্থ বক্তি ওই বোতামে চাপ দিলে জীবাণু তার হাতেও লেগে যায়। এভাবেই লিফট থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এবার তবে জেনে নিন লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই সময় যে বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে-
১. প্রথমেই নিশ্চিত করুন লিফটে তিন জনের বেশি রয়েছে কিনা! যদি থাকে তবে আপনার না যাওয়াই ভালো। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে তিনজনের বেশি লিফটে ওঠা উচিত নয়।
২. লিফটে একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে অন্তত দুই ফুট দুরত্ব বজায় রাখুন। লিফট ছোট হলে দুইজনের বেশি না যাওয়াই শ্রেয়।
২. লিফটে থাকাকালীন যদি হাঁচি বা কাশি হয়, তবে অবশ্যই মুখ কনুই দিয়ে ঢেকে নিন।
৩. লিফটের বাটন কখনো আঙুল দিয়ে স্পর্শ করবেন না। এতে করে আপনিও সংক্রমতি হতে পারেন বা আপনার মাধ্যমে অন্য কারো শরীরে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে। এজন্য বাটনে চাপ দেয়ার ক্ষেত্রে টুথপিক, ইয়ারবাড বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।
৪. যে জিনিসটি দিয়ে আপনি বাটন চাপলেন তা অবশ্যই লিফট থেকে বের হয়েই ডাস্টবিনে ফেলে দিন। এরপর আপনার হাত স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করুন।
৫. ভুলেও লিফটের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াবেন না।
লিফট ব্যবহারের পাশাপাশি যারা সিঁড়ি ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক-
১. সিঁড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেন রেলিংয়ে হাত না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
২. ঠিক লিফটের মতোই অজান্তে কোনো কভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তি রেলিং স্পর্শ করে থাকলে তা থেকে আপনিও সংক্রমিত হতে পারেন।
২. ভুলবশত আপনি যদি রেলিং স্পর্শ করেই থাকেন তবে অন্য কোথাও স্পর্শ করবেন না। এরপর হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
সূত্র: হাফিংটনপোস্ট