রয়্যাল থাই এম্ব্যাসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার পর দূতাবাসের অ্যাকাউন্টে অনলাইনে ভিসা ফি জমা দিতে হবে। ভিসা ফি নগদ নেয়া হবে না। ভিসার আবেদন বিবেচনার জন্য দূতাবাস ১০ কর্মদিবস সময় নিতে পারে।
ঘরে বসেই থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন করবেন যেভাবে-
.png)
ধাপ ১: রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন
১. প্রথমেই https://www.thaievisa.go.th ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
২. অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে। পাসপোর্ট বায়োডাটা পেজ এবং ছবি আপলোড করুন (jpg ফাইল, ৩MB এর কম)। পাসপোর্ট থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফর্মে আসবে। তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করুন।
৩. তথ্য এবং ডকুমেন্ট আপলোড করুন। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যেমন ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা বর্তমান অবস্থানের প্রমাণ আপলোড করুন।
৪. ভিসার ধরন নির্বাচন করুন। ভিসা ফি: ট্যুরিস্ট ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি)- ৩ হাজার ৫০০ টাকা। ট্যুরিস্ট ভিসা (মাল্টিপল এন্ট্রি)- ১৭ হাজার টাকা। অন্যান্য ভিসার বিস্তারিত ফি ও তথ্য ওয়েবসাইটে পাবেন।
৫. এম্বেসি নির্বাচন করুন। বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়্যাল থাই অ্যাম্বাসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
ধাপ ২: পেমেন্ট প্রক্রিয়া
১. পেমেন্ট ইনফো সামারি (PIS) শীট। আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পাবেন। শীটটিতে QR কোড এবং রেফারেন্স নম্বর থাকবে।
২. পেমেন্ট করতে ‘কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন’-এর (https://www.combank.net.bd/thaievisa) ওয়েবসাইটে যান। ভিসা ফি জমা দেওয়ার পর PIS শীটটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আপলোড করুন। পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ই-রিসিট ইমেইলে পাঠানো হবে।
ধাপ ৩: ভিসা অনুমোদন
১. প্রসেসিং সময়: আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত ১০ কার্যদিবস সময় লাগবে। অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাওয়া হতে পারে।
২. ই-ভিসা গ্রহণ: ইমেইলের মাধ্যমে অনুমোদিত ভিসা পাবেন। ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশনে দেখান।