ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

[ ধর্ম ]
পর্ব-৪

সূরা আলে ইমরান: ৫০-৬৮ নাম্বার আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও অর্থ 

মাওলানা ওমর ফারুক
প্রকাশিত: ১৫:৪৪, ২৩ জুন ২০২০
সূরা আলে ইমরান: ৫০-৬৮ নাম্বার আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও অর্থ 
‘এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। বস্তুত: আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী। (সূরা: আলে ইমরান, আয়াত: ৫৪)।

নাওয়াস ইবনে সামআন (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম বলেন, কোরআন ও কোরআনের ধারক বাহকরা কিয়ামতের দিন এমনভাবে হাজির হবে যে, সূরা আল বাকারা ও আলে ইমরান তাদের আগে আগে থাকবে। নাওয়াস (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) এ দু’টি সূরার আগমনের তিনটি উদাহরণ দিয়েছেন, আমি সেগুলো এখনও ভুলিনি। তিনি বলেন, (১) এ দু’টি সূরা ছায়ার -মতো আসবে, আর এতদুভয়ের মাঝে থাকবে আলো। (২) অথবা এ দু’টি কালো মেঘ খন্ডের ন্যায়। (৩) অথবা ডানা বিস্তারকারী পাখীর ন্যায় আসবে এবং তাদের সাথীর পক্ষ হয়ে বিতর্ক করবে (তিরমিযি-১১৬)। 

আরো পড়ুন >>> সূরা আলে ইমরান: ২৭-৪৯ আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও অর্থ পর্ব-৩

وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعْضَ الَّذِي حُرِّمَ عَلَيْكُمْ وَجِئْتُكُم بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ فَاتَّقُواْ اللّهَ وَأَطِيعُونِ

অর্থ: আর এটি পূর্ববর্তী কিতাব সমূহকে সত্যায়ন করে, যেমন তওরাত। আর তা এজন্য যাতে তোমাদের জন্য হালাল করে দেই কোনো কোনো বস্তু যা তোমাদের জন্য হারাম ছিল। আর আমি তোমাদের নিকট এসেছি তোমাদের পালনকর্তার নিদর্শনসহ। কাজেই আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর। (আয়াত: ৫০)।

إِنَّ اللّهَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ هَـذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার পালনকর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা-তাঁর এবাদত কর, এটাই হলো সরল পথ। (আয়াত: ৫১)।

فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَى مِنْهُمُ الْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنصَارِي إِلَى اللّهِ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنصَارُ اللّهِ آمَنَّا بِاللّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ

অর্থ: অত:পর ঈসা (আ.) যখন বণী ইসরাঈলের কুফরি সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পারলেন, তখন বললেন, কারা আছে আল্লাহর পথে আমাকে সাহায্য করবে? সঙ্গী-সাথীরা বললো, আমরা রয়েছি আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। আর তুমি সাক্ষী থাক যে, আমরা হুকুম কবুল করে নিয়েছি। (আয়াত: ৫২)।

رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلَتْ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ

অর্থ: হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা সে বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যা তুমি নাজিল করেছ, আমরা রাসূলের অনুগত হয়েছি। অতএব, আমাদিগকে মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও। (আয়াত: ৫৩)।

وَمَكَرُواْ وَمَكَرَ اللّهُ وَاللّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ

অর্থ: এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। বস্তুত: আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী। (আয়াত: ৫৪)।

إِذْ قَالَ اللّهُ يَا عِيسَى إِنِّي مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُواْ وَجَاعِلُ الَّذِينَ اتَّبَعُوكَ فَوْقَ الَّذِينَ كَفَرُواْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأَحْكُمُ بَيْنَكُمْ فِيمَا كُنتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ

অর্থ: আর স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে নিয়ে নেবো এবং তোমাকে নিজের দিকে তুলে নিবো-কাফেরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করে দেবো। আর যারা তোমার অনুগত রয়েছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তাদের ওপর জয়ী করে রাখবো। বস্তুতঃ তোমাদের সবাইকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন যে বিষয়ে তোমরা বিবাদ করতে, আমি তোমাদের মধ্যে তার ফয়সালা করে দেবো। (আয়াত: ৫৫)।

فَأَمَّا الَّذِينَ كَفَرُواْ فَأُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ

অর্থ: অতএব, যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোনো সাহায্যকারী নেই। (আয়াত: ৫৬)।

وَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ فَيُوَفِّيهِمْ أُجُورَهُمْ وَاللّهُ لاَ يُحِبُّ الظَّالِمِينَ

অর্থ: পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে। তাদের প্রাপ্য পরিপূর্ণভাবে দেয়া হবে। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না। (আয়াত: ৫৭)।
 
ذَلِكَ نَتْلُوهُ عَلَيْكَ مِنَ الآيَاتِ وَالذِّكْرِ الْحَكِيمِ

অর্থ: আমি তোমাদেরকে পড়ে শুনাই এ সমস্ত আয়াত এবং নিশ্চিত বর্ণনা। (আয়াত: ৫৮)।

إِنَّ مَثَلَ عِيسَى عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثِمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ

অর্থ: (হে নবী!) ঈসার উদহারণ আদমের অনুরূপ। আল্লাহ তাকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে বলেছেন, এ সেই সব আয়াত এবং প্রাজ্ঞচিত বাণী, যা আমি অপনাকে পাঠ করে শুনাই। (আয়াত: ৫৯)।

শানে নুযুল: অন্য এক রেওয়ায়েত বর্ণিত হয়েছে যে, আপনি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকেন, তাহলে এ ধরনের মানুষ ভূমিষ্ট হতে দেখান তো? তখন আলোচ্য আয়াত নাজিল হয়।

الْحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَلاَ تَكُن مِّن الْمُمْتَرِينَ

অর্থ: যা তোমার পালকর্তা বলেন তাই হচ্ছে যথার্থ সত্য। কাজেই তোমরা সংশয়বাদী হয়ো না। (আয়াত: ৬০)।

فَمَنْ حَآجَّكَ فِيهِ مِن بَعْدِ مَا جَاءكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْاْ نَدْعُ أَبْنَاءنَا وَأَبْنَاءكُمْ وَنِسَاءنَا وَنِسَاءكُمْ وَأَنفُسَنَا وأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَةُ اللّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ

অর্থ: অতঃপর তোমার নিকট সত্য সংবাদ এসে যাওয়ার পর যদি এই বিষয়ে অর্থাৎ ঈসা (আ.) সম্পর্কে তোমার সঙ্গে কেউ বিবাদ করে, তাহলে তাকে বলে দাও এসো, আমরা  ডেকে নেই আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের এবং আমাদের স্ত্রীদের এবং তোমাদের স্ত্রীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমার নিজেদের আর তারপর চলো আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত করি যারা এ বিষয়ে মিথ্যাবাদী। (আয়াত: ৬১)।

শানে নুযুল: মুবাহালার আয়াত- আলোচ্য আয়াতের পটভূমি এই যে, মহানবী (সা.) নাজরানের খ্রীষ্টানদের কাছে একটি ফরমান প্রেরণ করেন। এতে ধারাবাহিকভাবে ৩টি বিষয় উল্লেখ করা হয়। (১) ইসলাম কবুল কর। (২) অথবা জিযিয়া কর দাও। (৩) অথবা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। খ্রীষ্টানরা পরস্পর পরামর্শ করে শুরাহবিল, আব্দুলাহ ইবনে শুরাহবিল ও জিবার ইবনে ফয়েজকে হুজুর (সা.) এর কাছে পাঠায়। তারা এসে ধর্মীয় বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা হজরত ঈসা (আ.)-কে উপাস্য প্রতিপন্ন করার জন্য প্রবল বাদানুবাদের আশ্রয় গ্রহণ করে। ইতিমধ্যে মুবাহালার উপরোক্ত আয়াত নাজিল হয়। এতে রাসূলে খোদা (সা.) প্রতিনিধি দলকে মুবাহালার আহ্বান জানান এবং নিজেও হজরত ফাতেমা, হজরত আলী এবং ইমাম হোসাইনকে সঙ্গে নিয়ে মুবাহালার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসেন। এ আত্মবিশ্বাস দেখে শোরাহবিল ভীত হয়ে যায় এবং সাথীদেরকে বলতে থাকে তোমরা জানো যে, তিনি আল্লাহর নবী। আল্লাহর নবীর সঙ্গে মুবাহালা করলে ধ্বংস অনিবার্য। তাই মুক্তির অন্য কোনো পথ খোঁজ। সঙ্গীদ্বয় বললো, তোমার মতে মুক্তির উপায় কি? সে বলল, আমার মতে নবীর শর্তানুযায়ী সন্ধি করাই উত্তম উপায়। অতঃপর এতেই প্রতিনিধি সম্মত হয় এবং মহানবী (সা.) তাদের ওপর জিজিয়া কর ধার্য করে মিমাংসায় উপনীত হন। (ইবনে কাছীর: ১, তাফসীরে মাআরেফুল কোরআন)।

إِنَّ هَـذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ وَمَا مِنْ إِلَـهٍ إِلاَّ اللّهُ وَإِنَّ اللّهَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

অর্থ: নিঃসন্দেহে এটাই হলো সত্য ভাষণ। আর এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই। আর আল্লাহ; তিনিই হলেন পরাক্রমশালী মহাপ্রাজ্ঞ। (আয়াত: ৬২)।

فَإِن تَوَلَّوْاْ فَإِنَّ اللّهَ عَلِيمٌ بِالْمُفْسِدِينَ

অর্থ: তারপর যদি তারা গ্রহণ না করে, তাহলে প্রমাদ সৃষ্টিকারীদেরকে আল্লাহ জানেন। (আয়াত: ৬৩)।

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْاْ إِلَى كَلَمَةٍ سَوَاء بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ أَلاَّ نَعْبُدَ إِلاَّ اللَّهَ وَلاَ نُشْرِكَ بِهِ شَيْئًا وَلاَ يَتَّخِذَ بَعْضُنَا بَعْضاً أَرْبَابًا مِّن دُونِ اللَّهِ فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُولُواْ اشْهَدُواْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ

অর্থ: আপনি বলুন, ‘হে কিতাবীগণ! এসো সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই; যেন আমরা আল্লাহ ব্যতীত কারো ইবাদত না করি। যেন কোনো কিছুকেই তার শরিক না করি এবং আমাদের কেউ আল্লাহ ব্যতীত কাউকে রব হিসেবে গ্রহণ করবে না।’ যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে তাদের বলো, ‘তোমরা সাক্ষী থাক অবশ্যই আমরা মুসলিম’। (আয়াত: ৬৪)

শানে নুযুল : বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ তায়ালা যখন يتخذ احبارهم ورهبانهم اربابا (ইহুদি ও খ্রিস্টানরা আল্লাহ ব্যতীত তাদের পাদ্রী ও পুরোহিতগণকে প্রভু হিসেবে গ্রহণ করে) এই আয়াত অবতীর্ণ করেন, তখন আদী ইবনে হাতেম তাঈ বলেন, আমরা তো তাদের ইবাদত করি না, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে জিনিসকে তারা হারাম করে বলে দেয় তা হারাম এবং যে জিনিসকে তারা হালাল বলে দেয় তা হালাল বলে জান কি না? জবাবে হাতে বলল, হ্যাঁ, হুজুর! এরূপ করে থাকি। তখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটা দ্বারা তাই বুঝানো হয়েছে, আর তখন অত্র আয়াত নাজিল হয়। 

يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تُحَآجُّونَ فِي إِبْرَاهِيمَ وَمَا أُنزِلَتِ التَّورَاةُ وَالإنجِيلُ إِلاَّ مِن بَعْدِهِ أَفَلاَ تَعْقِلُونَ

অর্থ: হে কিতাবীরা! ইব্রাহিম সম্বন্ধে কেন তর্ক কর? অথচ তাওরাত ও ইঞ্জিল তো তার পরবর্তী (সময়ে) অবতীর্ণ হয়েছিলো! তোমরা কি এতটুকুও বুঝ না। (আয়াত: ৬৫)।

শানে নুযুল : হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, নাজরানের খ্রিস্টানদের নিকট ইহুদি আলেমরা এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে ঝগড়া শুরু করে দেয়, ইহুদিরা বলল যে, হজরত ইব্রাহিম (আ.) ইহুদি ছিলেন আর খ্রিস্টানরা দাবি করল যে, হজরত ইব্রাহিম (আ.) খ্রিস্টান ছিলেন, তাদের এসব দাবি খণ্ডন করে মহান আল্লাহ তায়ালা অত্র আয়াত নাজিল করেন। এতে এ কথা স্পষ্টভাবে বলেন যে, তার বহু পরেই এ ধর্মদ্বয়ে সৃষ্টি বরং তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলমান।

هَاأَنتُمْ هَؤُلاء حَاجَجْتُمْ فِيمَا لَكُم بِهِ عِلمٌ فَلِمَ تُحَآجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُم بِهِ عِلْمٌ وَاللّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لاَ تَعْلَمُونَ

অর্থ: শোন! ইতিপূর্বে তোমরা যে বিষয়ে কিছু জানতে, তাই নিয়ে বিবাদ করতে। এখন আবার যে বিষয়ে তোমরা কিছুই জান না, সে বিষয়ে কেন বিবাদ করছ? (আয়াত: ৬৬)।

مَا كَانَ إِبْرَاهِيمُ يَهُودِيًّا وَلاَ نَصْرَانِيًّا وَلَكِن كَانَ حَنِيفًا مُّسْلِمًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ

ইব্রাহিম ইহুদী ছিলেন না এবং নাসারাও ছিলেন না, কিন্তু তিনি ছিলেন হানীফ’ অর্থাৎ, সব মিথ্যা ধর্মের প্রতি বিমুখ এবং আত্নসমর্পণকারী, এবং তিনি মুশরিক ছিলেন না। (আয়াত: ৬৭)।

إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُوهُ وَهَـذَا النَّبِيُّ وَالَّذِينَ آمَنُواْ وَاللّهُ وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ

অর্থ: মানুষদের মধ্যে যারা ইব্রাহিমের অনুসরণ করেছিল, তারা, আর এই নবী এবং যারা এ নবীর প্রতি ঈমান এনেছে তারা ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠতম-আর আল্লাহ হচ্ছেন মুমিনদের বন্ধু। (আয়াত: ৬৮)।

চলবে...

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএজে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!