দুয়ারে কড়া নাড়ছে আরেকটি টি-২০ বিশ্বকাপ। মাসেই দলের সঙ্গে আবারো বিশ্ব আসরে বল হাতে জাদু দেখাতে মরিয়া মারুফা। ঘুরেফিরে সেই সেপ্টেম্বরই জানালেন দলের লক্ষ্যের কথা। নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্যটা অবশ্য গোপন রাখতে চাইলেন ১৯ বর্ষী এই খেলোয়াড়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসতে চলা আসরে কন্ডিশন থাকবে স্পিন নির্ভর। বাংলাদেশ দলের শক্তির মূল জায়গাটাও স্পিন ডিপার্টমেন্ট। তবে পেসাররা যে হাল না ছেড়ে দেখিয়ে দিতে চান, মারুফার কথায় তা স্পষ্ট।
.png)
বিসিবি আয়োজিত মিডিয়া সেশনে মঙ্গলবার গণমাধ্যমকর্মীরা নিয়েছেন বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ক্রিকেটারদের সাক্ষাৎকার। এরই একপর্যায়ে নেহার জানান নিজের প্রতিক্রিয়া। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই স্পিন আক্রমণটা ভালো হবে। আমরা পেস বোলাররা চেষ্টা করবো ভালো কিছু করার জন্য। কারণ আমরা যেহেতু বোলার, খারাপের জন্য সেখানে কখনো যাব না। ভালোর জন্যই সেখানে যাচ্ছি। ভালো কিছু করার লক্ষ্য থাকবে।’
বিশ্ব ক্রিকেটে জোরে লাইন লেন্থে বল করতে পারার সক্ষমতার জন্য নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার এই ক্রিকেটারের প্রশংসা অনেকেই করেন। এবারের বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের উইকেট নেয়ার কৌশলগত প্রস্তুতি কেমন হয়েছে- এমন প্রশ্নের উত্তর অতি সরলভাবে দিলেন। তার ভাষ্য, ‘আসলে এসব কিছু নিজের উপর নির্ভর করে। আপনি যেভাবে চাইবেন, সেইভাবে ফিডব্যাকটা পেতে হবে।’
মিডিয়া সেশনের আগে সংবাদ সম্মেলনে বাঘিনীদের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি সেমিফাইনালে খেলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেই আশা ক্রিকেটাররা সবাই করছেন কিনা তার জবাবে মারুফার দুই শব্দের উত্তর-
‘অবশ্যই, ইনশাল্লাহ। সেই সঙ্গে আরো যোগ করেন, ‘আমাদের দলীয় ঐক্য অনেক ভালো। তাই চিন্তা করি একটা ভালো জায়গায় যেতে পারবো।’