ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-২০২৪

জমে উঠেছে ঢাকা-কুমিল্লার লড়াই

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৪৫, ১৯ জানুয়ারি ২০২৪
জমে উঠেছে ঢাকা-কুমিল্লার লড়াই
ছবি- সংগৃহীত

দশম বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি দুর্দান্ত ঢাকা। যেখানে লক্ষ্য তাড়ায় উড়তে থাকা ঢাকাকে চেপে ধরেছে কুমিল্লা। এতে দুদলের লড়াইটা জমে উঠেছে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঢাকার সংগ্রহ ১৭ ওভারে তিন উইকেটে ১২১ রান।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এতে দুর্দান্ত ঢাকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৪৪ রান।

Advertisement

কুমিল্লার দেওয়া মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত শুরু পায় ঢাকা। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ নাঈম ও দানুস্কা গুনাথিলাকা। শুরু থেকেই কুমিল্লার বোলারদের ওপর চড়াও হন এ দুই ব্যাটার।

ম্যাচের ১৩তম ওভারে ১ রানে নিয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণ করেন নাঈম। ফিফটির ইনিংস অবশ্য লম্বা করতে পারেননি। ওভারের চতুর্থ বলে তানভীরকে উড়ে মারতে গিয়ে ফোর্ডের তালুবন্দী হন এ ব্যাটার। আউট হওয়ার আগে ৫২ করেন তিনি।

ফিফটির পথে থাকা গুনাথিলাকাও (৪১) সাজঘরের পথ ধরেন। বাইশ গজে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন লাসিথ ক্রসপুল্লেও। ৮ বল স্ট্রাইক নিলেও ৫ রানেই থামেন এ লংকান ব্যাটার।

এখন সাইফকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন ইরফান শুক্কুর। সাইফ ৬ ও শুক্কুর ১৭ রানে ব্যাটিং করছেন।

এর আগে টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস। ম্যাচের শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলতে থাকেন তারা। 

তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন চতুরঙ্গ ডি সিলভা। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে শ্রীলংকান এ স্পিনারের ওপর চড়াও হতে গিয়ে নাঈমের তালুবন্দী হন লিটন। আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ১৩ করেন তিনি।

এরপর উইকেটে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তার সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন কায়েস। একইসঙ্গে আসরের প্রথম ফিফটি নিজের দখলে নিয়েছেন কুমিল্লার বাঁ-হাতি এ ওপেনার। 

ব্যাট হাতে ভালো শুরুর পরও ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন হৃদয়। ম্যাচের ১৮তম ওভারের শরিফুলের বলটি বাউন্ডারি ছাড়া করতে গিয়ে ডি সিলভার তালুবন্দী হন। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৭ করেন তিনি।

পরে বাইশ গজে আসেন খুশদিল শাহ। তাকে সঙ্গ দেওয়ার আগেই কায়েসকে সাজঘরের পথ দেখান তাসকিন। আউট হওয়ার আগে ৬৬ করেনি এ বাঁ-হাতি। শেষ মুহূর্তে খুশদিল শাহর ক্যামিওতে ১৪৫ রানে থামে কুমিল্লার ইনিংস।

ইনিংসের শেষ ওভারে আসরের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন শরিফুল ইসলাম। ওভারের শেষ তিন বলে খুশদিল শাহ, রস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলামের উইকেট তুলে নেন এ বাঁ-হাতি পেসার।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!