এদিকে বাইরের লিগে আগেই খেলেছেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মুশফিকুর রহিম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তাওহীদ হৃদয়। বর্তমানে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের বাইরের লিগে দল পাওয়াকে ইতিবাচত হিসাবে দেখছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।
বৃহস্পতিবার মিরপুরে তিনি বলেন‘আমাদের ক্রিকেটের জন্য এটি একটি ইতিবাচক দিক যে, আমাদের ক্রিকেটাররা বাইরের বিভিন্ন লিগে ডাক পাচ্ছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বোর্ড যেটা করছে, প্রতিটি ক্রিকেটারের ওয়ার্কলোড এবং তাদের পূর্বের অংশগ্রহণ ও ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণ- সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে আমরা অনাপত্তিপত্র দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। সেভাবেই আমাদের ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র দেওয়া হচ্ছে। ’
.png)
তিনি আরো বলেন‘এর আগে আমাদের একটা পলিসি ছিল যে, (বছরে) সর্বোচ্চ দুইটা লিগে আমরা অনুমতি দেব। কিন্তু এখন যেভাবে ঘরোয়া লিগগুলো হচ্ছে, এর ফলে লিগের সংখ্যায় না গিয়ে, ওয়ার্কলোডটাকে বিবেচনায় নিচ্ছি। আন্তর্জাতিক ম্যাচ, ঘরোয়া লিগ খেলার জন্য যে ওয়ার্কলোড দরকার, এগুলো বিবেচনা করে এবং ভবিষ্যতে যে টুর্নামেন্টগুলো আছে, সেগুলোতে অংশগ্রহণও আরেকটি বিবেচনার বিষয়। সবগুলো বিবেচনা করেই আমরা ছাড়পত্র দিচ্ছি। ’