পরিসংখ্যান বলছে, দর্শকসংখ্যার বিচারে, বিশ্বকাপ ফুটবল, উইম্বলডন, অলিম্পিকের কাছাকাছিই আইপিএল জায়গা পাবে। শুধু তাই নয়, এর ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে টুর্নামেন্টটির আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার কথা।
এই টুর্নামেন্টে প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন দল বিপুল আর্থিক পুরস্কার পায়। সঙ্গে জয়ী দলের ঝুলিতে ওঠে একটি ঝাঁ চকচকে সোনালি রংয়ের আইপিএল ট্রফি। যার গায়ে খোদাই করা অপরূপ নানা ভারতীয় কারুকাজ, মাঝে আঁকা থাকে ভারতের মানচিত্র। আর গায়ে লেখা থাকে এক সংস্কৃত শ্লোক। সেই শ্লোকের অর্থ কী জানেন?
.png)
আইপিএল ট্রফির গায়ে লেখা থাকে, ‘যত্র প্রতিভা অবসর প্রাপ্যনতি’। এর অর্থ কিন্তু খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ। কী অর্থ এই শ্লোকের?
বিষয়টি নিয়ে আইপিএলের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আদতে এটি একটি প্রাচীন শাস্ত্রীয় শ্লোক, যার অর্থ—যেখানে প্রতিভাকে সুযোগ দেওয়া হয়। এটাই তো আইপিএলের সারকথা। বহু প্রতিভা রয়েছে, যারা আলোয় আসতে পারে না, এই মঞ্চেই তাদের সুযোগ খুঁজে নেয়, জায়গা করে ভারতীয় সিনিয়র দলেও।’
আইপিএল টুর্নামেন্ট কমিটির মতে, আইপিএলের মাহাত্ম্যটাই যেন এই শ্লোকের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। আইপিএল কখনোই ঘরোয়া ক্রিকেটের বিকল্প নয়। রঞ্জি ট্রফি, দলীপ ট্রফি, দেওধর ট্রফির গুরুত্ব ছিল, আছে এবং চিরকাল থাকবেও। কিন্তু আইপিএলই হল এমন এক মঞ্চ, যেখানে খ্যাতির মধ্যগগনে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের সঙ্গে একই দলে একই মর্যাদায় মাঠে নামে অনামী বহু খেলোয়াড়।
বাইশ গজে সিনিয়র-জুনিয়রের ভেদাভেদ যেমন থাকে না, তেমনই আইপিএলেও এই ভেদাভেদ নেই। বরং আইপিএল থেকে একাধিক তরুণ তুর্কি উঠে আসেন, যাদের প্রতিভা দেখে দেশ-বিদেশের প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও মুগ্ধ হয়ে যান। জাতীয় দলের জন্যও বহু প্রতিভাকে সহজেই খুঁজে নেয়া যায়।
আইপিএলের সোনালি রঙের ট্রফিতে আগের সংস্করণের বিজয়ীদেরও নাম লেখা থাকে। রবিবার আহমেদাবাদে গুজরাট টাইটান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসের মধ্যে চলমান আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। চারবারের বিজয়ী দল নাকি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন- কারা এবার বাজিমাত করে, সেটাই দেখার!