তবে আইপিএলের খেললেও বোলারদের উপর যাতে বেশি চাপ না দেওয়া হয়, সেজন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যদি না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এগুলো না মানলে সেক্ষেত্রে বোলাররা আইপিএলের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন।
রোববার (২৬ মার্চ) এই কথা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে জানিয়ে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাতেই বলা হয়, আইপিএলে খেললেও বোর্ডের চুক্তির আওতায় থাকা বোলারদের উপর যাতে বেশি চাপ না দেওয়া হয়, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে এ কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
.png)
কারণ, আইপিএলের পরেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও এক দিনের বিশ্বকাপ। এই দুই প্রতিযোগিতায় যাতে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বোলারদের পাওয়া যায়, তার জন্য এই নির্দেশ দিয়েছে বিসিসিআই।
সেখানে বোর্ড ১২ ভারতীয় বোলারের দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেছে। আইপিএলের সাতটি দলে খেলেন এই ১২ বোলার। তারা হলেন, গুজরাত টাইটান্সের মোহাম্মদ শামি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু মোহাম্মদ সিরাজ়, কলকাতা নাইট রাইডার্সের উমেশ যাদব ও শার্দুল ঠাকুর, চেন্নাই সুপার কিংসের দীপক চাহার, দিল্লি ক্যাপিটালসের কুলদীপ যাদব ও অক্ষর পটেল, রাজস্থান রয়্যালসের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও যুজবেন্দ্র চহাল এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিক ও ওয়াশিংটন সুন্দর।
বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , চুক্তিভুক্ত ভারতীয় বোলারদের নেটে অতিরিক্ত বোলিং করতে পারবে না। ফিল্ডিং অনুশীলন করতে পারেন। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নেটে বোলিংয়ের সময় বাড়াবেন এই বোলরারা। কোনও বোলার যদি কোন সমস্যায় পড়েন সেক্ষেত্রে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
সূত্র: আনন্দবাজার