আল্লাহ তাআলা জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না বসালেও একটি নির্দিষ্ট জেলায় পূর্ণ কর্তৃত্ব দিয়ে তাদের ভেতরের ঘৃণিত চেহারাটি প্রকাশ করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। একই সাথে তিনি দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ একনায়কতন্ত্র ও নিজস্ব নেতাদের অপরাধের সময় নীরব ভূমিকা পালন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সাতক্ষীরার জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে সম্প্রতি বহিষ্কারের পর বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
.png)
ফেসবুক বার্তায় রাকসু জিএস লেখেন, "তিনি তিন বারের সংসদ সদস্য এবং সাতক্ষীরার মতো চরম নির্যাতিত একটি অঞ্চলের মানুষের প্রতিনিধি হয়েও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। সাতক্ষীরায় সরেজমিনে গেলে বোঝা যায় সেখানকার সাধারণ মানুষ কতটা নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। ওই এলাকার প্রায় প্রতিটি পরিবারেই ফ্যাসিবাদী শাসনের নির্যাতনের ছাপ রয়ে গেছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতকে আল্লাহ পুরো দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা না দিলেও এই একটি জেলায় তাদের হাতে একক কর্তৃত্ব দিয়ে তাদের প্রকৃত রূপ দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত করে দিলেন। রাজনৈতিক কাঠামোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, "নিজের দলীয় নেতার ভুল বা অপরাধের ক্ষেত্রে অন্ধ সেজে থাকা এ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলেরই স্থায়ী স্বভাবে পরিণত হয়েছে। দলগুলোর ভেতরের এই একচ্ছত্র একনায়কতন্ত্রই মূল সমস্যা।"
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জনমতের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আম্মার পোস্টের শেষে লেখেন, "সংশ্লিষ্ট নেতাকে বহিষ্কারের মূল কৃতিত্ব সাধারণ সমালোচকদেরই পাওনা। সচেতন নাগরিক ও নেটিজেনরা সোচ্চার হয়ে সমালোচনা না করলে জামায়াত ওই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করত বলে আমার মনে হয় না।"