ঢাকা,  রোববার   ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শীত ধরেছে শ্রমের হাটে

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:২৬, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯
শীত ধরেছে শ্রমের হাটে
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরে তাপমাত্রার পারদ আরো নিচে নেমে গেছে। প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে জেলার সর্বস্তরের মানুষ। বিশেষ করে কর্মহীন হয়ে পড়ছে শ্রমজীবীরা। শ্রমের হাটে তারা এলেও দর কষাকষি করে না কেউ। এ যেন শীত জাপটে ধরেছে তাদের।

ফরিদপুরের আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক সুরুজুল আমিন জানান, শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছে ফরিদপুরে ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে বৃহস্পতিবার ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শহরের আলীপুর ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুটি শ্রম বিক্রি হাটে গিয়ে দেখা গেছে, অলস হয়ে বসে আছেন শ্রমিকরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তারা থাকলেও কোনো ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে না। এতে মন খারাপ করেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে তাদের।

শ্রমিক মো. হাবিব, আওয়াল শেখ ও ছরোয়ার হোসেন জানান, শীতের কারণে তিনদিন ধরে কোনো কাজ পাচ্ছেন না তারা। প্রতিদিন বাজারে আসেন, বসে থেকে আবার বিনা কাজে বাড়ি ফিরে যান। এভাবে আর কয়েকদিন চললে অর্থ কষ্টে থাকতে হবে তাদের।

কাজ না পেয়ে অলস সময় কাটাচ্ছেন শ্রমিকরা

এদিকে শীতের কারণে সমস্যায় পড়েছে শহরের বস্তি এলাকার অধিবাসী ও চর এলাকার বাসিন্দারা। ভোরে শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছে না।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম বলেন, জেলার ৮১টি ইউপি ও ছয়টি পৌরসভায় ৪৬০টি করে কম্বল এসেছে। সেগুলো নয়টি উপজেলাতে বিতরণ শুরু করেছি। এছাড়া জরুরি বরাদ্দ হিসেবে আরো ৯ হাজার ১শ’ কম্বল পেয়েছি।

ফরিদপুরের ডিসি অতুল সরকার শুক্রবার রাতে শহর ও শহরতলীর আদমপুর, ধলার মোড়, স্টেশন বাজার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শ্রীঅঙ্গন পল্লীসহ বিভিন্ন জায়গায় শীতার্তদের মাঝে এক হাজার কম্বল বিতরণ করেছেন।

ডিসি অতুল সরকার বলেন, জেলার চরাঞ্চলগুলোতে অগ্রাধিকার হিসেবে আগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র রয়েছে। শীতের কারণে কেউ কষ্টে থাকবে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!