ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

[ জাতীয় ]

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ২ লাখ ১২ হাজার আনসার মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫৫, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ২ লাখ ১২ হাজার আনসার মোতায়েন
সংগৃহীত ছবি

সারাদেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ২ লাখ ১২ হাজার ১১৮ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা আরও নিশ্ছিদ্র ও সমন্বিত করতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত পূজামণ্ডপগুলোতে আটজন করে এবং সাধারণ মণ্ডপে ছয়জন করে আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এর পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠপর্যায়ে মোতায়েন থাকবে বিশেষ স্ট্রাইকিং পেট্রোল।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মহাপরিচালক জানান, চলতি বছর সারাদেশে মোট ৩৩ হাজার ১৬৫টি পূজামণ্ডপের তথ্য নিবন্ধিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৯১৪টি মণ্ডপকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। পূজামণ্ডপে মোতায়েন করা মূল বাহিনীর পাশাপাশি ১০৪টি বিশেষ স্ট্রাইকিং পেট্রোল দায়িত্ব পালন করবে। কোনো সুবিধাবাদী গোষ্ঠী যেন ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সেজন্য ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এই স্ট্রাইকিং দলগুলো।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে ৬৬ হাজার সদস্য নিবন্ধিত রয়েছেন। পূজামণ্ডপে কোনো অস্থিতিশীল ঘটনা ঘটলে এই অ্যাপের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। ফলে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে দ্রুত ও কার্যকর সমন্বয় তৈরি করা সহজ হবে। এর আগে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এই প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ করা হয়েছিল।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের সার্বিক কর্মকাণ্ড তদারকির জন্য বাহিনীর নিজস্ব ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা, অনিয়ম বা পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!