ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

সংবিধানে ফিরছে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা’

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবিধানে ফিরছে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা’
সংগৃহীত ছবি

সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বিশেষ কমিটির তৃতীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। তাঁর বক্তব্যের বিষয়টি বাসসসহ একাধিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে কমিটির প্রধান অগ্রাধিকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ’। পাশাপাশি নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি-সংক্রান্ত ৮ অনুচ্ছেদে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহালের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এই বিষয়টি তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে এটি সংবিধানের প্রস্তাবনা ও ৮ অনুচ্ছেদে যুক্ত হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাংবিধানিক গণভোট প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানের নির্দিষ্ট কিছু বিধানে পরিবর্তন আনা হলে ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোটের প্রয়োজন হতে পারে। প্রস্তাবনা এবং ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এমন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া প্রযোজ্য হতে পারে বলে তিনি জানান।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সুরক্ষার বিষয়েও গণভোটের প্রস্তাব রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপির পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট বিধান পরিবর্তন করতে চাইলে গণভোটের প্রয়োজন হয়।

সংবিধান সংশোধনের সময়সূচি সম্পর্কে কমিটির আহ্বায়ক জানান, ডিসেম্বরের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপনের জন্য চেষ্টা চলছে। এরপর ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের বিল প্রস্তুত করা হবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করা হতে পারে। সংসদে আলোচনা, সংশোধনী প্রস্তাব ও বিল পাসের প্রক্রিয়া শেষে যেসব বিষয়ে সাংবিধানিকভাবে গণভোটের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অংশগ্রহণের আহ্বানও জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিরোধী দল কমিটির আলোচনায় অংশ নিলে তাদের মতামত ও প্রস্তাবও বিবেচনা করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!