শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
তিনি বলেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চারটি ধাপে সপ্তাহে ২০০ জনকে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। আপাতত ঢাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সব বিভাগেই শহিদদের পরিবারকে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
.png)
প্রাথমিকভাবে প্রতি শহিদ পরিবার ৫ লাখ এবং আহতরা ১ লাখ করে টাকা পাবেন জানিয়ে সারজিস বলেন, শুধু ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি টাকার হিসাব যেন দিতে পারি সেভাবেই কাজ হচ্ছে। আনঅফিসিয়ালি আহতদের তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার এবং নিহত ১৬০০-এর বেশি, যা বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের কাজও ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে করা হবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ সমন্বয়ক বলেন, শনিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন মিলনায়তনে ঢাকা বিভাগের শহিদদের পরিবারের কাছে প্রথম এই অর্থ তুলে দেওয়া হবে। ঢাকার সব শহিদ পরিবার কাল আসবে না। কাল যাদের অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। আশা করি, ডিসেম্বরের মধ্যেই সব পরিবারের কাছে সহায়তা পৌঁছে যাবে।
সারজিস আলম বলেন, এরপর আমাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। যারা আর কখনো কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারবেন না তাদের দীর্ঘ সময়জুড়ে সম্মানী দেওয়া যায় কি না, এটিও বিবেচনা করা হচ্ছে।