গ্রেফতাররা হলেন- চট্টগ্রামের তাসমিয়া অ্যাসোসিয়েটসের মালিক নাসিম আহেমেদ, কর্মী ফজলে রাব্বি সুমন ও কামরুজ্জামান। মামুনের দুই সহযোগী জহির উদ্দিন ও খায়রুল ইসলাম পিয়াস। এদের কাছ থেকে নগদ ২৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা, ছয়টি মোবাইল, ১৮টি সিমকার্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, এমএফএস ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে দেড়শ এমএফএস এজেন্ট সিম কিনে সেগুলোকে ‘জেট রোবটিক’ অ্যাপের সাহায্যে দুবাই থেকে নিয়ন্ত্রণ করেন শহীদুল ইসলাম ওরফে মামুন নামে এক ব্যক্তি।
.png)
দুবাই প্রবাসী কেউ বাড়িতে অর্থ পাঠাতে চাইলে এজেন্টদের মাধ্যমে সেই বিদেশি মুদ্রা সংগ্রহ করেন মামুন, আর ‘জেট রোবটিক’ নিয়ন্ত্রিত এমএফএস একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাতেন প্রবাসীর কাঙ্ক্ষিত নম্বরে।
গত তিনমাসে এভাবে চারশ কোটি টাকার লেনদেন হলেও দেশে সেই বিদেশি মুদ্রা আসেনি বলে জানিয়েছে সিআইডি। মামুনের কথামতো বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন করতেন জহির ও পিয়াস।
সিআইডি আরো জানায়, হোতা মামুনসহ পাঁচজনের একটি চক্র দুবাই থেকে ‘জেট রোবটিক অ্যাপ’ ব্যবহার করে হুন্ডি ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন।