বুধবার বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উদ্ধারকৃত চোরাচালান পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ৮ কেজি ৬৭৯ গ্রাম স্বর্ণ, ২৯ কেজি ৭০০ গ্রাম রূপা, ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৩৭টি কসমেটিক্স, ৩৬ হাজার ৩৫০টি ইমিটেশন গহনা, ১১ হাজার ৪১৫টি শাড়ি, ১ হাজার ৭৭২টি থ্রিপিস, শার্টপিস, চাদর ও কম্বল, ৫৫৭ ঘনফুট কাঠ, ৮ হাজার ১৭৩ কেজি চা পাতা, ৩৭ হাজার ৭৩৭ কেজি কয়লা, ১ হাজার ৯৪ কেজি কারেন্ট জাল, ৬টি কষ্টি পাথরের মূর্তি, ১০০ কেজি গ্যামাক্সিন পাউডার, ১২টি ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ২টি বাস, ৯টি পিকআপ, ৬টি প্রাইভেটকার, ২০টি সিএনজি ও ইজিবাইক এবং ৮৪টি মোটরসাইকেল।
.png)
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ১টি পিস্তল, ১টি এয়ার পিস্তল, ১টি গান, ৯৫ কেজি সালফার ও ৪৩৯ রাউন্ড গুলি।
এছাড়া গত মাসে বিজিবি সদস্যরা ১২ লাখ ৫১ হাজার ৫৭৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭ কেজি ৪২৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৩২ কেজি ৬০৯ গ্রাম হেরোইন, ১২ হাজার ৩৪৩ বোতল ফেনসিডিল, ২৪ হাজার ২৫০ বোতল বিদেশি মদ, ৬ হাজার ৬৫০ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৬৫৪ কেজি গাঁজা, ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬১ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৯টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ৪ হাজার ৭৯১টি ইস্কাফ সিরাপ, ২ হাজার ৪২৪ বোতল এমকেডিল-কফিডিল, ১১ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৩ পিস বিভিন্ন ধরনের ওষুধ এবং ১ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫০টি অন্যান্য ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে।
সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৩৫ জন চোরাচালানিকে এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অপরাধে ৬৬ জন বাংলাদেশি, ১৪ জন ভারতীয় এবং ৭৭ জন মায়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।