সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে, লঞ্চ ও পন্টুনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে চাপ বাড়লেও অনেকটা স্বস্তি নিয়েই বাড়ি ফিরছে মানুষ। যাত্রী বাড়ায় বেড়েছে লঞ্চও, একে একে ছেড়ে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীবোঝাই লঞ্চগুলো।
ঈদ উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার থেকেই সদরঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার থেকে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় যাত্রীর চাপ আরো বেড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
.png)
বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে রোববার ৮১টি লঞ্চ ঢাকা থেকে ছেড়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে স্বাভাবিকের চেয়ে লঞ্চ সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। লঞ্চ মালিকদের ভাষ্য, গার্মেন্টস ও সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় যাত্রী চাপ আরো বাড়বে।

এদিকে টিকিট বিক্রেতারা জানান, যাত্রী টানতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম নিচ্ছেন তারা। এক সময় ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চে যাত্রীর চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় তুলনামূলক রুটে যাত্রী কম। এ কারণে জনপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা ভাড়া কম নিচ্ছেন।
এমভি সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মুজিবুর রহমান বলেন, ডেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়া ৪৫৮ টাকা হলেও আমরা ৪০০ টাকা নিচ্ছি। এছাড়া সিঙ্গেল কেবিন ১১০০ টাকা আর ডাবল কেবিন ২২০০ টাকা।
পটুয়াখালীগামী লঞ্চযাত্রী রহিমা বেগম বলেন, গত এক বছর লঞ্চের ভাড়া তেমন বাড়েনি। এছাড়া আগের মতো ভোগান্তিও নেই। অনেকটা স্বস্তিতে ঈদযাত্রা করছি।
নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক কবির হোসেন বলেন, লঞ্চে যাত্রীদের নিরাপত্তায় পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের বাড়তি টহল জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন রুটে ৮১টি লঞ্চ গত রোববার ঢাকা ছেড়ে গেছে, শনিবার এ সংখ্যা ছিল ৭১টি। মঙ্গলবার থেকে সরকারি ছুটি শুরু হলে যাত্রীর চাপ আরো বাড়বে। সেক্ষেত্রে লঞ্চ সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।