তবে কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইডি গবেষক এবং আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ এ নিয়ে জানিয়েছেন ভিন্ন তথ্য।
রাজবাড়ীতে ৫ কেজির শিলা পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নিউজ পোর্টালে দাবি করা হচ্ছে, ৫ কেজি ওজনের শিলা পড়েছে আকাশ থেকে।
.png)
ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই যে জনৈক ব্যক্তির হাতে যে বরফ খণ্ড দেখতেছি সেটি কালবৈশখী ঝড় থেকে সৃষ্ট কোনো শিলাবৃষ্টি না। শিলাবৃষ্টির কোনো বৈশিষ্ট্য এই বরফ খণ্ডে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি লেখেন, পৃথিবীর ইতিহাসে এই বড় শিলাবৃষ্টি পড়ার কোনো ইতিহাস নাই। যে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার শিলাবৃটি গঠিত হয় সেই প্রক্রিয়ায়ও এত বড় শিলা বাতাসে ভেসে থাকার সম্ভব না। তাহলে আপনি প্রশ্ন করতে পারেন এই শিলা আসলো কোথা থেকে? সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো যদি প্রকৃতভাবেই এই শিলা আকাশ থেকে পড়ে থাকে তবে এই শিলা পড়েছে ঝড়ের সময় ঐ স্থানের আকাশ দিয়ে চলমান কোসো বিমান থেকে। বিমান থেকে এই ধরনের বরফ খণ্ড পড়ার ঘটনা খুবই সাধারণ ঘটনা।