এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের সাব-ইন্সপেক্টর সুকান্ত বিশ্বাস এক দিনের রিমান্ড শেষে কনাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। কনার পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধীতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ১১ এপ্রিল কনার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঐ দিন কনার দুই সহযোগী বাপ্পি চন্দ্র দে ও রবিউল আউয়ালকে কারাগারে পাঠানো হয়।
.png)
উত্তরা পশ্চিম থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী এসব তথ্য জানান।
২ এপ্রিল অভিনেত্রী মনিরা মিঠুর বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মনিরা মিঠুর ছেলে মুশফিক ইসলাম উপন্যাস রাতেই কণাকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তাদের বাসায় তামান্না নামের এক নারী কাজ করেন। তামান্না অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তাকে সহযোগিতা করতে গত ২৭ মার্চ মাসিক ৩ হাজার টাকা বেতনে কণাকে কাজে নেয়া হয়। কণাকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিতে বলা হয়। তিনি দেবেন বলে জানালেও দেননি।
গত ১ এপ্রিল মনিরা মিঠু, বড় ছেলে মুশফিকের স্ত্রী এবং ছোট ছেলে পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন বাসায় ছিলেন গৃহকর্মী কনা। পরের দিন দুপুরের দিকে খাবার নিয়ে হাসপাতালে যান মুশফিকের ছোট ভাই। এ সময় গৃহকর্মী কনাকে বাসায় রেখে যান। হাসপাতাল থেকে এসে কনাকে বাসায় দেখতে পান। তখন মুশফিকের ছোট ভাই বাথরুমে ঢোকেন। এর ফাঁকেই গৃহকর্মী কনা নগদ দেড় লাখ টাকা ও ৫ লাখ ১২ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান। বাথরুম থেকে বের হয়ে গৃহকর্মী কনাকে দেখতে না পেয়ে বারান্দায় গিয়ে দেখেন, কনা মূল গেট দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছেন। ডাক দিলে দৌঁড়ে পালিয়ে যান। তৎক্ষণাৎ রুমে গিয়ে দেখেন, টাকা ও স্বর্ণালংকার নেই।