ঢাকা,  শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

[ জাতীয় ]

মানবতাবিরোধী অপরাধে রাজশাহীর মুসার বিরুদ্ধে রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০০:০২, ২৭ আগস্ট ২০১৯
মানবতাবিরোধী অপরাধে রাজশাহীর মুসার বিরুদ্ধে রায় আজ
মুসা। ফাইল ছবি

একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ’র বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করা হবে। 

সোমবার বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের এ তারিখ ঘোষণা করেন।

এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ৮ জুলাই মামলাটি অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ন।

প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও সহযোগীদের নিয়ে আসামি মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা-হত্যাসহ যেসব অপরাধ করেছে মামলার শুনানি ও যুক্তিতর্কে সেসব তথ্য-প্রমাণ, সাক্ষ্য আমরা আদালতে তুলে ধরেছি। ভিকটিমসহ পরিবারের ১৪ জন সাক্ষী আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ফলে আদালতে আমরা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছি।

মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামির পক্ষে কোনো সাক্ষী ছিল না। প্রথম অভিযোগে তিনজন চাক্ষুষ সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর মধ্যে দুজন সরাসরি ভিকটিম ও একজন ভিকটিম পরিবারের সদস্য। এছাড়া দ্বিতীয় অভিযোগে মোট সাক্ষী তিনজন। তিনজনই ভিকটিম পরিবারের চাক্ষুষ সাক্ষী। তৃতীয় অভিযোগে চাক্ষুষ সাক্ষী চারজন। চারজনই ভিকটিম পরিবারের সদস্য। চতুর্থ অভিযোগেও সাক্ষী চারজন। এর মধ্যে তিনজনই সরাসরি ভিকটিম এবং একজন ভিকটিম পরিবারের।

চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। চার সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন ছাড়াও অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আসামির বিরুদ্ধে গত বছরের ১৪ জানিুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এরপর ওই বছরের ১২ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে পাঁচ অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর মালাটির তদন্ত শুরু হয়। তখন এ মামলায় আসামি করা হয়েছিল ছয়জনকে। কিন্তু তদন্ত চলার সময়ই বাকি পাঁচ আসামির মৃত্যু হলে একমাত্র আসামি হিসেবে মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ থাকেন। তদন্ত চলার সময় নাশকতার মামলায় গ্রেফতার হন এই আসামি। পরে ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএ/জেডআর

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!