অতীত পরিসংখ্যান বার্সাকে ভাবাচ্ছে আলাভেসের বিপক্ষে নামার আগে
একাদশ রাউন্ডের লা লিগার ম্যাচে রাতে ঘরের মাঠ স্পোটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে দেপোর্তিভো আলাভেসের মুখোমুখি হচ্ছে বার্সেলোনা। নিজেদের ঘরের মাঠের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখার মিশনে নামা কাতালানদের সামনে এবার অতীত পরিসংখ্যানের দারুণ এক হাতছানি।
তবে পরিসংখ্যানের পাতায় বার্সেলোনার আকাশছোঁয়া আধিপত্যের কথা বলা থাকলেও, অতিথি আলাভেসের সাম্প্রতিক কিছু স্মৃতি কিছুটা হলেও ভাবাবে স্বাগতিকদের।
ফুটবল পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘অপটা’র তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে ঘরের মাঠে আলাভেসের কাছে ১-০ গোলে হেরে বসেছিল বার্সেলোনা। এই হারের মাধ্যমে লিগে আলাভেসের বিপক্ষে বার্সেলোনার ১৬ ম্যাচ ধরে চলা অপরাজিত ধারার অবসান ঘটেছিল। যার মধ্যে ছিল ১৪টি জয় ও ২টি ড্র। এর আগে ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে কেবল একবারই আলাভেসের কাছে টানা দুই লিগ ম্যাচে হেরেছিল কাতালানরা।
বার্সেলোনার মাঠে নামার ইতিহাস আলাভেসের জন্য খুব একটা সুখকর নয়। ক্যাম্প ন্যুতে শেষ ৮টি লিগ ম্যাচের একটিতেও জয় পায়নি তারা। এই ভেন্যুতে তাদের শেষ জয়টি এসেছিল ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে, তৎকালীন কোচ মাউরিসিও পেলের্দিনোর অধীনে লুইস এনরিকের বার্সেলোনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল তারা।
অন্যদিকে, দুর্দান্ত এক গোল করার রেকর্ড নিয়ে মাঠে নামছে বার্সেলোনা। লা লিগায় ঘরের মাঠে নিজেদের সর্বশেষ ৩৬ ম্যাচে টানা গোল করেছে তারা, যার মোট গোলসংখ্যা ১০৮টি। ২০১৪ সালের পর এটিই তাদের দীর্ঘতম হোম স্কোরিং রান। সেবার টানা ৫৬ ম্যাচে ১৯৩ গোল করেছিল কাতালানরা।
বিপরীতে বেশ বাজে সময় পার করছে আলাভেস। লিগে নিজেদের শেষ ৬ ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি তারা। আর একটি ম্যাচ জিততে ব্যর্থ হলেই জানুয়ারি ২০২৫-এর পর এটি হবে তাদের দীর্ঘতম জয়হীন খরা, সেবার টানা ৭ ম্যাচে জয়হীন ছিল তারা।
খেলার ধরনেও দুই দলের ব্যবধান বেশ স্পষ্ট। ২৬-২৭ মৌসুমের ওপেন প্লেতে ১০ বা তার বেশি পাসের পাসিং সিকোয়েন্সে সবার ওপরে রয়েছে বার্সেলোনা (২৪৫ বার)। অন্যদিকে, এই তালিকায় তলানির দিকে থাকা আলাভেসের এমন পাসিং সিকোয়েন্স মাত্র ৫৪টি। তাদের চেয়ে নিচে রয়েছে কেবল গেতাফে (৩৩) ও সেভিয়া (৫১)।
এ ছাড়া চলতি মৌসুমে লিগে পিছিয়ে পড়ার সময় সবচেয়ে কম (মাত্র ৪৩ মিনিট) থাকা দল বার্সেলোনা। এমনকি লিগে এগিয়ে যাওয়ার পর পয়েন্ট না হারানোর দিক থেকেও তারা অনন্য। এই তালিকায় তাদের সাথে রয়েছে লেভান্তে, অ্যাথলেটিক বিলবাও, রিয়াল সোসিয়েদাদ ও রিয়াল মাদ্রিদ।