ঢাকা,  শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

[ খেলা ]

চরম চাপে ম্যানইউ কোচ: চেলসির মাঠেও ২ গোলের হার

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০০:৪৫, ১ নভেম্বর ২০২৬
চরম চাপে ম্যানইউ কোচ: চেলসির মাঠেও ২ গোলের হার
ছবি: সংগৃহীত

চরম বিপর্যয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিল। টানা তৃতীয় হারের তিক্ত স্বাদ পেয়ে চেলসির কাছে ২-০ গোলে হেরেছে রেড ডেভিলরা। এই হারে ইউনাইটেড কোচ মাইকেল ক্যারিকের ওপর চাপ এখন চরমে।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৯ ম্যাচে জয়হীন রইল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ১৯৮৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বরের পর যা তাদের দীর্ঘতম জয়হীন থাকার রেকর্ড।

চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে এটি ম্যানইউর চতুর্থ পরাজয়। এই হারে টেবিলের ১৬ নম্বরে নেমে গেছে তারা, রেলিগেশন জোন থেকে অবস্থান মাত্র ১ পয়েন্ট ওপরে। বাজে শুরুর পরও পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ক্যারিক, কিন্তু এই হারের পর তার কোচিং ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

প্রথম অর্ধে কিছুটা আশা দেখালেও বিরতির পরপরই খেই হারিয়ে ফেলে ইউনাইটেড। বিরতির ঠিক পাঁচ মিনিট পর ইউনাইটেড রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে চেলসিকে এগিয়ে নেন মরগান রজার্স। অত্যন্ত ছান্দিকভাবে ইউনাইটেড ডিফেন্স চিরে বল জালে পাঠান এই চেলসি তারকা।

এর ১৪ মিনিট পর পেনাল্টি থেকে চেলসির ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কোল পামার। ডি-বক্সের ভেতর বলের দিকে না তাকিয়ে ওয়েসলি ফোফানার মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করার অপরাধে ভিএআরের পর্যালোচনায় পেনাল্টি বাঁশি বাজান রেফারি। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে। লাল কার্ডের পর পামার পেনাল্টি থেকে গোল করতেই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। জাবি আলোনসোর অধীনে মৌসুমে প্রথমবার একাদশে সুযোগ পাওয়া চেলসি উইঙ্গার এস্তেভাও বল জালে পাঠালেও অল্পের জন্য তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

প্রথম অর্ধে ইউনাইটেডও অবশ্য ইতিবাচক ফুটবল খেলেছিল। মাথিউস কুনহা খুব কাছ থেকে হেডে গোল করলেও অফসাইডের কারণে ভিএআর তা বাতিল করে। একাদশে ফেরা ব্রুনো ফের্নান্দেস একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন এবং আমাদ দিয়ালো দুই-দুটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও চেলসি গোলরক্ষক মাইক পেনডার্সকে পরাস্ত করতে পারেননি। তবে বিরতির পর সেই ধার ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় রেড ডেভিলরা।

প্রথম অর্ধে চেলসি সমর্থকদের কাছ থেকে কিছুটা দুয়ো দিতে দেখা গেলেও দ্বিতীয় অর্ধে চেলসির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সেই অসন্তোষ মিটিয়ে দেয়। রজার্সের গোল চেলসিকে কাঙ্ক্ষিত গতি এনে দেয়, আর তিন মিনিটের ব্যবধানে মার্তিনেসের দুই হলুদ কার্ড ও পামারের গোল ম্যাচ পুরো চেলসির নিয়ন্ত্রণে এনে দেয়। চেলসি বিকল্প খেলোয়াড় ভালেনতিন বারকো শেষের দিকে আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট না করলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!