মঙ্গলবার দুদকের কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান খান মামলাটি করেন।
দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
.png)
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য ও জাল হলফনামা তৈরি করে ২৩ লাখ ৯২ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র উপহার হিসেবে দেখিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করেছে। অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/২০১/১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আরো জানা গেছে, জিয়াউল চৌধুরী ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর নিজ এবং তার স্ত্রীর নামে মোট ৭ লাখ ১ হাজার ৯০২ টাকার স্থাবর ও ৪০ লাখ ৫ হাজার ৪২৬ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪৭ লাখ ৭ হাজার ৩২৮ টাকার সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে জিয়াউল চৌধুরী তার স্ত্রীর নামে কুমিল্লা প্রধান ডাকঘরের ২৪ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় দেখিয়েছেন। যা তিনি নিজের মা ও শাশুড়ি থেকে প্রাপ্ত হয়েছেন বলে দেখিয়েছেন।
এ সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের টাকার উৎস বৈধ করতে গিয়ে হলফনামার ভুয়া দলিল ব্যবহার করেছেন তিনি। দুদকের অনুসন্ধানে যা জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।