নতুন ১৩ উপসর্গের কথা জানালেন করোনামুক্ত নারী সাংবাদিক
করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি হয় পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন নতুবা টানা কয়েকদিন সামাজিক, মানসিক যন্ত্রণার মারাত্বক অভিজ্ঞতা নিয়ে মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসেন। তেমনি করোনাভাইরাস থেকে ফেরা একজন মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজের নারী সাংবাদিক ক্যাথি অ্যারুই। অসুস্থ থাকার সময় তিনি ও তার সন্তানদের মাধ্যমে করোনার নতুন ১৩টি উপসর্গ শনাক্ত করেছেন।
ফ্লোরিডা থেকে 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস ফার্স্ট' নামের একটু অনুষ্ঠানে ওই নারী সাংবাদিক বলেন, মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের সংক্রমিত ছিলাম আমি। শ্বাসকষ্ট না থাকায় রেসপিরেটর দরকার ছিল না।কিন্তু ১৩টি লক্ষণ পেয়েছি, যেগুলো আমার কাছে নতুন মনে হয়েছে।
আক্রান্ত হওয়ার পাঁচদিন পর্যন্ত অ্যারুই ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, স্বাদ কমে যাওয়া, মাথা ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, চোখ জ্বলা ও জ্বরের উপসর্গ পেয়েছিলেন। তিনি সুস্থ হওয়ার পরই তার দুই মেয়ে করোনায় আক্রান্ত হন। বড় মেয়ের ক্ষেত্রে জ্বর, ঠান্ডা লাগা, গ্যাস্টিকের সমস্যা, গলা ব্যথা, ক্লান্তি ও মাথাব্যথা উপসর্গ দেখা দেয়। আর ছোট মেয়ের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড বুক ব্যাথা, শুকনো কাশি, মাথা ব্যথা ও ক্লান্তি বিদ্যমান ছিল।
.png)
অর্থ্যাৎ ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, স্বাদ কমে যাওয়া, মাথা ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, চোখ জ্বলা, জ্বর, ঠান্ডা লাগা, গ্যাস্টিকের সমস্যা, গলা ব্যথা, ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড বুক ব্যাথা ও শুকনো কাশি উপসর্গ শনাক্ত করেন এ নারী সাংবাদিক।
অ্যারুইর দাবি, করোনাভিইরাসের ক্ষেত্রে তার আলাদা অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভাইরাসটি দুর্বল স্থানে আক্রমণ করে। ফলে একেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একক ধরনের উপসর্গ প্রকাশ পায়।
তিনি বলেন, আমাকে প্রতিদিন তিনটি নতুন উপসর্গের সঙ্গে মুখোমুখি হতে হয়েছে। আমার মনে হতো আগামীকাল কি উপসর্গ আসতে পারে। এমনকি চিকিৎসকরা আমার উপসর্গের ব্যাপারে কোনো সঠিক ধারণা করতে পারছিলেন না।
আমার হাঁপানি, অল্প শ্বাসকষ্ট হয়েছে। এতে ইনহেলার ব্যবহার করেছি। তবে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল। শুরু থেকেই সতর্কতার কারণে বাইরে যাওয়া হয়নি। মুদির দোকান পর্যন্ত এড়িয়ে চলেছি।
সুতরাং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উল্লেখ করা তিনটি উপসর্গ আমাদের ক্ষেত্রে ছিল না।