ঢাকা,  শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

মার্কিন নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন পোপ লিও

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৪, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
মার্কিন নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন পোপ লিও
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ চতুর্দশ লিও। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ চতুর্দশ লিও। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেওয়া প্রথম পোপ হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন তিনি। নিজের জন্মশহর শিকাগোতে ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন পোপ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে আগাম ভোট দিয়েছেন তিনি।

ভ্যাটিকানের প্রেস অফিসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মার্কিন নাগরিক হিসেবে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন পোপ লিও। ভোট দেওয়ার যোগ্যতা থাকা অবস্থায় এর আগেও তিনি নিয়মিত নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণকে শুধু অধিকার নয়, দায়িত্ব হিসেবেও বিবেচনা করেন পোপ।

তবে তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ভ্যাটিকান।

এদিকে, পোপের ভোট দেওয়ার ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাথলিক বিশপ সম্মেলন। এতে দেশটির নাগরিকদের রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বাস, মানবিক মর্যাদা ও সামষ্টিক কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সম্মেলনের জনসংযোগবিষয়ক পরিচালক চিয়েকো নোগুচি বলেন, ভোট দেওয়ার মাধ্যমে পোপ নাগরিক দায়িত্ব পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

পোপ চতুর্দশ লিওর জন্মনাম রবার্ট প্রেভোস্ট। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি পেরু ও ভ্যাটিকানের নাগরিক। পুরোহিত ও বিশপ হিসেবে পেরুতে ২০ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ক্যাথলিক চার্চের প্রধান এবং ভ্যাটিকান সিটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, বিদেশে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকরা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অনুপস্থিত ভোটার হিসেবে ভোট দিতে পারেন। বিদেশি সরকারের হয়ে দায়িত্ব পালন করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল হয় না।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো মার্কিন নাগরিক বিদেশি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলে নাগরিকত্বসংক্রান্ত বিষয় বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!