ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

পশ্চিম তীরে দুই মসজিদে ইসরায়েলি বসতকারীদের অগ্নিসংযোগ

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:২৬, ১৭ জুন ২০২৬
পশ্চিম তীরে দুই মসজিদে ইসরায়েলি বসতকারীদের অগ্নিসংযোগ
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মসজিদগুলো। সংগৃহীত ছবি

অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লাহর উত্তরাঞ্চলে দুটি মসজিদে অগ্নিসংযোগ করেছে কট্টরপন্থী ইসরায়েলি বসতকারীরা। জিলজিলিয়া ও মাজরা আল-নুবানি নামের দুটি গ্রামে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। শুধু আগুন দেওয়াই নয়, হামলাকারীরা মসজিদ দুটির দেওয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন উগ্র স্লোগানও লিখে রেখে গেছে।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ভোরের দিকে একদল সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতকারী হঠাৎ জিলজিলিয়া গ্রামে প্রবেশ করে সেখানকার মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মসজিদের নারীদের নামাজের কক্ষটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং মূল ভবনের বাইরের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জিলজিলিয়া গ্রামে ইসরায়েলি বসতকারীদের হামলার পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত মাসেও তারা এই গ্রামে হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের একটি ভেড়ার পাল লুট করে নিয়ে গিয়েছিল।

Advertisement

প্রায় একই সময়ে নিকটবর্তী মাজরা আল-নুবানি গ্রামেও একই কায়দায় হামলা চালিয়ে আরেকটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেখানেও মসজিদের দেয়ালে হিব্রু ভাষার স্লোগান লক্ষ্য করা গেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও কট্টরপন্থী বসতকারীদের যৌথ সহিংসতা তীব্র রূপ নিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করতে সেখানে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ফসলি জমি ও জায়গা-জমি দখল, কৃষকদের কাজে বাধা দেওয়া এবং মৌলিক অবকাঠামো ধ্বংস করার মতো ঘটনা নিয়মে পরিণত হয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে চলমান সংঘাতের মধ্যে কেবল পশ্চিম তীরেই ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে অন্তত ১,১৬৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১২,৬৬৬ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে প্রায় ২৩ হাজার ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এ আর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!