ইরানি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাতিবজাদেহ বলেন, “হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে। তবে কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে জাহাজগুলোকে ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে চলাচল করতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “প্রণালিতে নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করবে ইরান।”
তবে ইরানি কর্মকর্তাদের এসব আশ্বাসের বিপরীতে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। হরমুজ প্রণালি থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই পথ দিয়ে খুব অল্প সংখ্যক জাহাজই চলাচল করেছে।
.png)
পাকিস্তানে ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধিদলের মধ্যে আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি চলছে—এমন সময় গত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল চলাচলের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরান খুবই বাজে কাজ করছে—কেউ কেউ তো এটিকে লজ্জাজনকও বলছে। আমাদের মধ্যে যা সমঝোতা হয়েছিল, এটা তা নয়!”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে বিবেচিত হয়।
সূত্রঃ বিবিসি