আইআরজিসি-নিয়ন্ত্রিত ফার্স নিউজ এজেন্সির টেলিগ্রাম পোস্টে বলা হয়েছে, মধ্য ইরানের আকাশসীমার ওপর দিয়ে উড়তে থাকা বিমানটিকে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে গুলি করে নামানো হয়েছে। পোস্টে দাবি করা হয়, বিমানটি ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ হয়েছে এবং মারাত্মক ক্ষতির কারণে পাইলটের ভাগ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১৯ মার্চ আইআরজিসি একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে আঘাত হানার দাবি করে, যাতে বিমানটি উল্লেখযোগ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন তখন জানায়, বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় জরুরি অবতরণ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
.png)
অন্যদিকে, গত ২ মার্চ সেন্টকম (ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড) জানায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানের সমর্থনে কুয়েতের আকাশে উড়তে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বলে ধারণা করা হয়।
প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো জানায়, ওই সময় সক্রিয় যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছিল। ইরানের বিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে কুয়েতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভুল করে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে শনাক্ত করে গুলি করে।
বর্তমানে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে এ ধরনের দাবি ও প্রতিদাবি চলছে। আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।
সূত্র:আনাদলু এজেন্সি