রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যকার জোট একটি ‘পারমাণবিক সামরিক জোটে’ প্রসারিত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ‘কমিউনিস্টবিরোধী ঘাঁটি’।
.png)
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ‘এই বাস্তবতা এটি স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে আমাদের ঠিক কোন দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত এবং আমাদের কী ও কীভাবে করা উচিত।’
২৩-২৭ ডিসেম্বরের ওই বৈঠকে চলতি বছরের শুরুর দিকে দেশটিতে হওয়া বন্যার মোকাবিলা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়েছে।
এছাড়া, বৈঠকে ‘বন্ধুভাবাপন্ন’ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশটি।
এ সময় কিম দেশের যুদ্ধ প্রতিরোধকে শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতির আহ্বান জানান।
উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের সভাগুলো প্রায়ই কয়েক দিন স্থায়ী হয় এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব বৈঠকে দেশের মূল নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স