শুক্রবার তোলা ওই ছবিগুলোতে দেখা যায়,, সিরিয়ার উপকূলীয় লাতাকিয়া প্রদেশের হুমাইমিম বিমান ঘাঁটিতে অন্তত দুটি আন্তোনোভ এএন-১২৪ (বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানগুলোর মধ্যে একটি) বিমানে সরঞ্জাম তোলা হচ্ছে।
ম্যাক্সার জানিয়েছে, দুটি আন্তোনোভ এএন-১২৪ বৃহত্তম কার্গো বিমান হুমাইমিম বিমান ঘাঁটিতে অবস্থান করছে এবং ছবিতে বিমান দুটির ডালা খোলা অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানে সামরিক সরঞ্জাম ওঠানো হচ্ছে।
.png)
ম্যাক্সার আরো বলেছে, কাছাকাছি একটি কেএ-৫২ অ্যাটাক হেলিকপ্টার খুলে ফেলা হচ্ছে এবং সম্ভবত এটিকে ছোট আকারে গুটিয়ে পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিমানঘাঁটিতে আগে মোতায়েন এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটের অংশগুলোও স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
লাতাকিয়ার বিমানঘাঁটিতে সরঞ্জাম গুটানোর কার্যক্রম চললেও ম্যাক্সার জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগরের তীরে সিরিয়ার বন্দরনগরী তারতুসে অবস্থিত রাশিয়ার নৌঘাঁটি এখনো বহাল তবিয়তে আছে। সেখানে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
ম্যাক্সার জানিয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বরের আমাদের তোলা ছবিতে যে অবস্থান ছিল, গতকাল শুক্রবার তোলা ছবি অনুসারেই তারতুস ঘাঁটির অবস্থান অপরিবর্তিত আছে। তারতুসের উপকূলে দুটি (রুশ) ফ্রিগেট এখনো দেখা যাচ্ছে।
ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল-৪ নিউজ জানিয়েছে, তারা ১৫০টিরও বেশি রুশ সামরিক যানবাহনের একটি বহরকে সিরিয়ার সড়কপথে চলতে দেখেছে। রুশ সামরিক বাহিনী শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে অগ্রসর হচ্ছিল এবং মনে হচ্ছিল রাশিয়াকে সিরিয়া থেকে শৃঙ্খলাপূর্ণ প্রস্থানের জন্য একটি চুক্তি হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।