ইউএনআরডব্লিউএ-র সিনিয়র ইমারজেন্সি অফিসার লুইস ওয়াটারিজ রয়টার্সকে বলেছেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সঙ্গে খাদ্যের ওই বহর নিয়ে আসছিলো তাদের সংস্থা। খাদ্যবাহী এই বহরকে অল্প সময়ের নোটিশে কেরেম শালোম সীমান্ত পেরিয়ে একটি অপরিচিত পথ ধরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েল। তারপরেই ৯৭টি লরি নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেগুলোর চালকদের বন্দুকের ভয় দেখিয়ে লরিতে থাকা ত্রাণ খালি করে দিতে বাধ্য করা হয়।
তিনি বলেছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকারের গুরুতর চ্যালেঞ্জ সামনে উঠে এসেছে।
.png)
গাজার চলমান সংকটের মধ্যে ত্রাণ সরবরাহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবরোধ ও সংঘাতের কারণে ত্রাণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রতিনিয়ত জটিলতা বাড়ছে। এ ধরনের লুটপাট কেবল মানবিক সহায়তার পথকে আরো কঠিন করে তোলে, যা ফিলিস্তিনি ক্ষুধার্ত ও বিপদগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য উদ্বেগজনক।