এক প্রতিবেদনে রুশ বার্তা সংস্থা তাস বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী কুরস্ক সীমান্তে ৩০০-র বেশি সৈন্য হারিয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনের দুটি পদাতিক যুদ্ধ যান, একটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ছয়টি মর্টার, দুটি ইলেকট্রনিক যুদ্ধের স্টেশন এবং চারটি মোটর যান ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেনের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শনিবার (৯ নভেম্বর) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে যে, এই সৈন্য মৃত্যুর পর কুরস্ক সীমান্তে সামরিক সংঘর্ষের সময় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর প্রায় ৩০ হাজার ৮০০ সৈন্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের ১৮৯টি ট্যাংক, ১২৩টি পদাতিক যুদ্ধ যান, ১০৭টি সাঁজোয়া বাহন, ১,০৯৫টি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ৮৩৩টি মোটর যান এবং ২৬২টি আর্টিলারি অস্ত্রও ধ্বংস হয়েছে।
.png)
এদিকে রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের দুটি মনুষ্যবিহীন ড্রোন (ইউএভি) ধ্বংস করেছে রাশিয়ান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
শনিবার আঞ্চলিক গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ খবর জানিয়ে বলেছেন, দায়িত্বে থাকা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্রায়ানস্ক অঞ্চলের আকাশসীমায় দুটি ইউএভি (ড্রোন) আটকায় এবং ধ্বংস করে। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি জানান গভর্নর। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, জরুরি সেবার কর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাতে ফোন দিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ওই ফোনকলে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্ত হন স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও ধনকুবের ইলন মাস্কও।
একটি সূত্র জানিয়েছে, ফোনকলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগে সহায়তার জন্য তাকে (মাস্ক) ধন্যবাদ জানান জেলেনস্কি। প্রায় সাত মিনিট তিনজনের কথা হয়। তবে এ সময় তাদের মধ্যে নীতিনির্ধারণ বিষয়ক কোনো আলাপচারিতা হয়নি।
এর আগে বুধবার এক এক্সে করা এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেছিলেন, ট্রাম্পের ‘ঐতিহাসিক নিরঙ্কুশ জয়ের’ পর তাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। এতে দুই দেশের সহযোগিতার সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে তারা একমত হয়েছেন। বিশ্বে শান্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ।